\ খুন মাদক বাণিজ্য চাঁদাবাজিতে তৃণমূল জনপ্রতিনিধিরা | Bangla Photo News
Wednesday , November 21 2018
Homeলীড নিউজখুন মাদক বাণিজ্য চাঁদাবাজিতে তৃণমূল জনপ্রতিনিধিরা
খুন মাদক বাণিজ্য চাঁদাবাজিতে তৃণমূল জনপ্রতিনিধিরা

খুন মাদক বাণিজ্য চাঁদাবাজিতে তৃণমূল জনপ্রতিনিধিরা

বাংলা ফটো নিউজ : জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা জড়িয়ে পড়ছেন নানা অনিয়ম ও গুরুতর অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে। মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে সেবা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচিত অনেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও মেম্বার বর্তমানে নিজ নিজ এলাকায় হয়ে উঠেছেন মূর্তিমান আতঙ্ক। তৃণমূলের এসব জনপ্রতিনিধি খুন, অস্ত্র ও মাদক বাণিজ্য, বালুদস্যুতাসহ বিভিন্ন প্রকল্পে ভয়াবহ অনিয়মে জড়িয়ে পড়ছেন। অনেক জনপ্রতিনিধি গ্রাম্য সালিসের নামে নিজ নিজ এলাকায় কায়েম করেছেন ঘুষের রাজত্ব। আবার কোথাও কোথাও ইউপি চেয়ারম্যানদের দুর্নীতির ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছেন কিছু অসাধু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। গত এক বছরে এ ধরনের অসংখ্য অভিযোগে শতাধিক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে বহিষ্কার করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ। এর পরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না বলে জানা যায়। স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এসব বেপরোয়া চেয়ারম্যান ও মেম্বারের লাগাম টেনে ধরতে হবে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার ভারেল্লা (উত্তর) ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার সেলিম মোল্লা। তৃণমূলের এই জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে আটটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রয়েছে ছয়টি মামলা। চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার বিভাগ সেলিম মোল্লাকে সাময়িক বরখাস্ত করে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, তাঁর বিরুদ্ধে বুড়িচং থানায় ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯(১)-এর ৭(খ) অনুযায়ী দুটি, ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫-বি(২) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯(১)-এর ৭(খ)/৩৩(১) অনুযায়ী একটি, বুড়িচং থানার মামলা নম্বর ৬৮/১১, মুরাদনগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯(১)-এর ৭(খ)/২৫ অনুযায়ী একটি এবং মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় কুমিল্লার কোতোয়ালি থানায় ২০১৪ সালের ১৪ মার্চ আরেকটি মামলা করা হয়।

মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালাপুর ইউনিয়নের মেম্বার ফজর আলীর বিরুদ্ধে শ্রীমঙ্গল থানায় একটি হত্যা মামলা রয়েছে। জিআর মামলা নং ৯৩/১৭, দণ্ডবিধি ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩০২/১১৪/৩৪ ধারার মামলাটির অভিযোগপত্র চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি আদালত গ্রহণ করেন। এ অবস্থায় গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকায় ফজর আলীকে গত ৪ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

ত্রিশাল উপজেলার ২ নম্বর বৈলর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান মুকুলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়। চলতি বছরের ১৬ এপ্রিল ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অভিযোগটি দায়ের করেন বৈলর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলতাফ হোসেন। অভিযোগে বলা হয়, চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মুকুলের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা দায়েরের পর সত্যতা পেয়ে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। এ ছাড়া ত্রিশাল পৌর এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ড সাকিনাস্থ জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সরকারি জমি দখল করে সেখানে অবৈধভাবে বাড়ি নির্মাণ শুরু করলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলের উপসহকারী প্রকৌশলী চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মুকুলকে প্রধান আসামি করে ২০১৭ সালের ২০ নভেম্বর একটি মামলা করেন। এ ছাড়া মুকুলের বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক পাঁচটি দুর্নীতির তদন্ত করে তিনটিতে সরকারি অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছেন।

আরেক ঘটনায় চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ আনা হয়েছে। এই জনপ্রতিনিধি মোট ১১টি মামলার আসামি বলে জানা গেছে। এ ছাড়া ২০১৭ সালে উপজেলা প্রশাসক কর্তৃক আয়োজিত বিজয় দিবস উদ্যাপনের সময় সেখানে সন্ত্রাসী হামলা চালানোর অভিযোগে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার কামাল হোসেনকে একই ওয়ার্ডের ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করিয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করার অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়।

নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমদাদুল হক আকন্দের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেছেন একই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার উমর ফারুক গোলাপ ও স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা। সম্প্রতি দায়ের করা ওই অভিযোগে বলা হয়, চেয়ারম্যান ইমদাদুল হক তাঁর ভাই মাজহারুল হকসহ বেশ কিছু লোক নিয়ে এলাকায় বালুদস্যুতা শুরু করেছেন। তাঁদের অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে সেখানকার রাস্তাঘাট, বসতবাড়ি, ফসলি জমি, শ্মশান, ব্রিজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হতে শুরু করেছে।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহম্মেদ বলেন, ‘জনপ্রতিনিধিদের এসব নৈতিক স্খলন বেশ ভাবনার বিষয়। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে পরে চরিত্র পরিবর্তন করা অত্যন্ত দুঃখজনক। অনেক অপরাধ আমরা রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় মিলিয়ে ফেলি। জনপ্রতিনিধি কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি বা অপরাধ করলে তার বিচার দেশের প্রচলিত আইনে হওয়া দরকার। অপরাধীর পরিচয় অপরাধী হওয়াই উচিত। জনপ্রতিনিধিদের এসব অপরাধ কমিয়ে আনতে আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা জরুরি।’

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, শেরপুর জেলার শ্রীবরদি উপজেলার শ্রীবরদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এলজিএসপি প্রকল্পের ১১ লাখ ৯২ হাজার ৫৯৭ টাকার অনিয়ম করেছেন। এ কারণে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে গত ২৮ জুন তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরগুনা জেলার সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফুলজুড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হওয়ায় তাঁকে চলতি বছরের ২৪ মে সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আল আমিনের বিরুদ্ধে জেলা দায়রা জজ আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন। মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার চালা ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মোশারফ হোসেন অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার খয়েরপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার শুক্কুর আলীর বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এসংক্রান্ত মামলায় তাঁকে চলতি বছরের ২২ এপ্রিল সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাজু আহমেদের বিরুদ্ধে রয়েছে বেশ কয়েকটি অভিযোগ। ১১১ জন মহিলার সঞ্চয়ের অর্থ আত্মসাৎ, ছয় মাসের ভিজিডি চাল আত্মসাৎসহ ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তাঁকে চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মোশরাফ হোসেন ফৌজাদারি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ায় চলতি বছরের ২ এপ্রিল তাঁকে বরখাস্ত করে মন্ত্রণালয়। ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার ৮ নম্বর নন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জমিরুল ইসলাম ও মেম্বার আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করছে জেলা প্রশাসক।

রূপগঞ্জ উপজেলার ভুলতা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের অভিযোগ তদন্ত করতে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

বরিশাল সদর উপজেলার চাঁদপুরা ইউনিয়নের মেম্বার নজরুল ইসলাম শিকদারের বিরুদ্ধে সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার শতগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ত্রাণের টাকা আত্মসাৎ করায় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

নড়াইল জেলার সদর উপজেলার সিংগাশোলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উজ্জ্বল শেখের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখল ও হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ পেয়ে চলতি বছর ২১ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে। মনোহরদী উপজেলার চরমান্দালীয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদিরের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বালু উত্তলনের অভিযোগে চলতি সপ্তাহে নরসিংদী জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেছে স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা। চলতি বছরের ২ এপ্রিল দুর্নীতি দমন কমিশন থেকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়। ওই চিঠিতে পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের বিরুদ্ধে ১৪১৭ থেকে ১৪২১ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত ঘাট ইজারার অর্থ আত্মসাৎ ও গৃহীত প্রকল্পে কাজ না করে সরকারি অর্থ তছরুপের বিষয়ে দুদক তাঁদের অভিযুক্ত করে। পরে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে গত ৭ মে পাবনা জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার আটাবহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন অলু সরকারি ৯০ টন চাল আত্মসাৎ করেছেন। এই জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলার চার্জশিট অনুমোদন করেছে। বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন খান। ওই অভিযোগ তদন্ত করছেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসক। নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার সিংধা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ মাহবুব মোর্শেদ কাঞ্চনের বিরুদ্ধে গত ২৪ এপ্রিল অভিযোগ করেন একই এলাকার বাসিন্দা সন্ধ্যা রানী রায়। সীমাহীন দুর্নীতি ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগটি তদন্ত করছেন নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক।

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন, কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ৫ নম্বর পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন, চট্রগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার উরিরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম, রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোছাদ্দেক আলী আজাদসহ শতাধিক চেয়ারম্যান ও মেম্বারের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্ত করছেন সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকরা।

বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, ‘তৃণমূল পর্যায়ে যখন রাজনৈতিক মদদ দেওয়া শুরু হয়েছে তখন অনেক ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বার তাদের ক্ষমতা দেখিয়ে নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করেও তাদের সঙ্গে পেরে উঠছে না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কেউ প্রতিবাদী হয়ে মামলা করলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৃণমূলের এই প্রভাবশালীদের সুবিধা দিচ্ছে। ফলে তারা আইনের ফাঁক গলিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। সরকারের উচিত, তৃণমূলের এই জনপ্রতিনিধিদের রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশয়ের বাইরে রাখা। এ ছাড়া এসব অপরাধীকে কঠোর আইনের আওতায় এনে এখনই লাগাম টেনে ধরতে হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*