\ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা! | Bangla Photo News
Monday , August 20 2018
Homeআন্তর্জাতিকতৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা!
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা!

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা!

বাংলা ফটো নিউজ : এবার মন্টিনিগ্রোকে আক্রমণ করলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই দেশটির জনগণকে ‘ভীষণ আগ্রাসী’ বলে অভিহিত করে জানান, এই ক্ষুদ্র জাতিটি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ফক্স নিউজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফক্স নিউজের সঙ্গে ওই সাক্ষাৎকারে ন্যাটোর গঠনতন্ত্র নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ট্রাম্প। ন্যাটোর গঠনতন্ত্রের অনুচ্ছেদ-৫ নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি। ওই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একটি সদস্য রাষ্ট্রের ওপর আক্রমণ করা মানে সব সদস্য রাষ্ট্রের ওপর হামলা।

এই অনুচ্ছেদের ওপর ভিত্তি করে ফক্স নিউজের ট্যাকার কার্লসান প্রশ্ন করেন’ যদি মন্টিনিগ্রোর ওপর হামলা হয় তবে তাকে রক্ষায় আমার ছেলে কেন সেখানে যাবে?’

এর উত্তরে ট্রাম্প বলেন, আপনি কি বোঝাতে চাইছেন আমি তা বুঝেছি। আমারও একই প্রশ্ন।’

তিনি বলেন, মন্টিনিগ্রো খুবই শক্তিশালী জনগণের ক্ষুদ্র একটি দেশ। দেশটির জনগণ খুবই আক্রমণাত্মক। তারা এতটাই আক্রমণাত্মক যে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাধিয়ে দিতে পারে।

মন্টিনিগ্রো সাবেক যুগোস্লাভিয়ার একটি প্রজাতন্ত্র ছিল। ৬ লাখ ৩০ হাজার জনগণের দেশটি গত বছর ন্যাটোতে যোগদান করে। এটি ন্যাটোর ২৯ তম সদস্য। ২ হাজার সেনাসদস্যের দেশ মন্টিনিগ্রো। মন্টিনিগ্রোর ন্যাটোর সদস্য হওয়ার বিষয়টি ক্ষুদ্ধ করেছে রাশিয়াকে।

যুক্তরাষ্ট্রকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন ট্রাম্প
০৯ অক্টোবর ২০১৭

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন দেশটির রিপাবলিকান সিনেটর বব করকার। সিনেটের বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান প্রভাবশালী এই সিনেটর রবিবার নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।

করকার বলেছেন, আমি এই প্রেসিডেন্টকে নিয়ে শঙ্কিত। কারণ প্রেসিডেন্ট এমনভাবে কাজ করছেন, যেন তিনি ‘দি অ্যাপ্রেন্টিস’ বা এমন কিছু। তিনি আমাকে উদ্বিগ্ন করেছেন। যারা আমাদের দেশ নিয়ে ভাবেন, তাদের সবাইকে তিনি উদ্বেগে ফেলতে পারেন।

করকার সম্পর্কে ট্রাম্প বলেছেন, সিনেটর বব করকার পুনর্নির্বাচন করতে আমার সমর্থন ভিক্ষা চেয়েছিলেন। আমি বলেছিলাম- না এবং তিনি সরে দাঁড়ান। তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীও হতে চেয়েছিলেন, আমি বলেছিলাম- না ধন্যবাদ। ইরানের সঙ্গে ভয়ংকর চুক্তির জন্যও তিনি অনেকাংশে দায়ী।

উল্লেখ্য ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন করকার। ভাইস প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাছাইয়ের সময় ট্রাম্পের সংক্ষিপ্ত তালিকায় তার নাম ছিল। দু’জনের মধ্যে ভালো সম্পর্কও ছিল। কিন্তু সেই সম্পর্কের চরম অবনতি হয়েছে এখন।

নিউইয়র্ক টাইমস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*