বন্যায় পাকিস্তান ও মায়ানমারে ৪৬ জনের প্রাণহানি

Myanmar
Share Button

বাংলা ফটো নিউজ : বন্যায় পাকিস্তানে ৩৬ এবং মায়ানমারে ১০ জনের প্রাণহানি হয়েছে। পাকিস্তানে প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় ৩৬ জন মারা গেছে। এছাড়াও এতে ২ লাখ ৫০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে নদীর দুকূল উপচে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত এবং এতে কয়েকশ গ্রামে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা শনিবার এ কথা জানান।

পাকিস্তানের উত্তর দক্ষিণাঞ্চলে বৈরী আবহাওয়ার কারণে বড় ধরনের বন্যা দেখা দিয়েছে। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কয়েকটি রাস্তা ও সেতু পানির তোড়ে ভেসে গেছে। এদিকে পাঞ্জাবের দক্ষিণাঞ্চলীয় গ্রামগুলো বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে।

কর্মকর্তারা জানান, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশ ও উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় কাশ্মির অঞ্চলে গবাদিপশু ও মানুষ বন্যার পানিতে ভেসে গেছে।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ)’র এক মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানায়, ‘এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী চিত্রালে ২৬ জন, পাঞ্জাব প্রদেশে ৩ জন ও বেলুচিস্তানে ৭ জন মারা গেছে।’
তিনি বলেন, ‘খাইবার পাখতুন খোয়া প্রদেশে ৩৫০টি এবং পাঞ্জাবে ৪২২টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই বন্যায় আড়াই লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

খাইবার পাখতুনখোয়ার এক কর্মকর্তা জানান, চিত্রালে একটি বাড়ি বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। এতে একই পরিবারের অন্তত ৮ জন মারা গেছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানায়, বেলুচিস্তানের খুজদার অঞ্চলে পানির তোড়ে একটি গাড়ি ভেসে গেছে। গাড়িটিতে একই পরিবারের চার সদস্য ছিল। এই ঘটনায় তারা সবাই মারা গেছে।

মায়ানমারে মৌসুমি বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যায় গত ৪৮ ঘন্টায় কমপক্ষে ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। তথ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মান্দালাই অঞ্চলের থাবেইককিন এলাকায় শনিবার আকস্মিক বন্যায় ছয় জনের প্রাণহানি হয়েছে। এ ছাড়া উত্তরাঞ্চলের শান রাজ্যের থিবা এলাকায় একই দিনে আরো তিন জনের প্রাণহানি হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, শুক্রবার শান রাজ্যের মুসে এলাকায় ১৯ বছরের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে রোববার বলা হয়েছে, থিবা এলাকায় ১শ’ বছরের একটি পুরানো সেতুর উপর দাঁড়িয়ে তিন ব্যক্তি বন্যার পানির গতি দেখছিল। একপর্যায়ে সেতুটি ভেঙে পড়লে তারা পানির তোড়ে ভেসে যায়।

মায়ানমারের পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলে গত কয়েকদিন ধরে প্রবল বৃষ্টিপাত হচ্ছে। শান রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় গত ২৪ ঘন্টায় ১৭০ মি.মি. বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় কার্যালয় জানায়, সম্প্রতি প্রবল বৃষ্টিতে সাগাং অঞ্চল ও কাচিন রাজ্যে কমপক্ষে ১২ হাজার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।






Related News

387e6d21cb441db61dfa5ee880592c7f-5a0c10f34579d

রোগীকে ১০ কিলোমিটার কাঁধে বয়ে নিয়ে গেলেন চিকিৎসক

Share Button

বাংলা ফটো নিউজ : ভারতের ওডিশার দানা মাঝির সেই ঘটনার কথা মনে আছে? স্ত্রীর মৃত্যুরRead More

file-5-7

ইতালির ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি অবস্থা

Share Button

বাংলা ফটো নিউজ : ভয়াবহ ভূমিকম্পে ইতালির সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।Read More

  • পৃথিবীর সব থেকে সুন্দর ১০টি রাস্তা (ভিডিও সহ)
  • সাংবাদিক সহ ১০০ বন্দিকে ক্ষমা
  • কুকুর নিয়ে ঝগড়ায় বৃদ্ধের গুলিতে দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ নিহত ৩
  • বন্যায় পাকিস্তান ও মায়ানমারে ৪৬ জনের প্রাণহানি
  • গর্ভপাতের অনুমতি পেল না ধর্ষিতা কিশোরী
  • মোদীর বিরুদ্ধে বোমা ফাটালেন নেহা
  • বহুতল ভবন ধসে দিল্লীতে মৃত ৯
  • বোরকা পরলেই আটক