ঐশীর ফাঁসিই শেষ কথা নয়!

ALIM
Share Button

বাংলা ফটো নিউজ : বাবা-মাকে খুনের দায়ে ঐশীর মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। নিশ্চিত হওয়া গেছে ঐশীই তার বাবা-মাকে খুন করেছে। ঐশী কেন তার বাবা-মাকে খুন করলো? জানি মাদকের নেশা তাকে খুনি বানিয়েছে! প্রশ্ন আসবেই, ঐশী কেন মাদকাসক্ত? কিভাবে তার হাতে মাদক পৌঁছালো? ঐশী কেন খুনী হলো? এ দায় কার? ঐশী আজকের অবস্থার জন্য মোটেও পুরোপুরি দায়ী নয়। যদি বলি আমরা দায়ী! এ সমাজ দায়ী! দায়ী রাষ্ট্র! আমরা কেউই কখনো নিজেদের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করি না। মাদক নির্মূলে সচেষ্ট হই না। তাই দেশ মাদকে সয়লাব হয়ে গেছে। যুবসমাজ মাদকের নেশায় বুঁদ হয়ে যাচ্ছে। কেবল পুত্রসন্তান নয়, কন্যা সন্তানদের হাতেও পিতামাতা খুনের ঘটনা ঘটতে শুরু করেছে। নেশা আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছে? এতো ব্যর্থতা, তবুও এক্ষেত্রে সরকারের নজর নেই কেন? এর একটা বিহিত হওয়া দরকার।

ঐশীদের আর মাদকাসক্ত হতে দেয়া যাবে না। ঐশীদের আর খুনী বানানো যাবে না। এদের এ পথ থেকে ফিরিয়ে আনতেই হবে। অনেকেই ঐশীর ফাঁসিতে খুশী হয়েছেন। এক ঐশীর বিচারই শেষ কথা নয়। ঐশী যে কারণে খুনী হলো আগে সে জায়গাটাতে হাত দিতে হবে আমাদের। দেশ থেকে মাদক নির্মূল করতে হবে। নেশা মানুষকে অমানুষ করে দিচ্ছে, ঐশীর মতো খুনী বানিয়ে দিচ্ছে। আর দেশে যেভাবে মাদক ছড়িয়ে পড়ছে তাতে গোটা দেশজুড়েই এ নিয়ে আতংক তৈরি হয়েছে। হবে বৈকি? রাজধানী ঢাকার চামেলীবাগে যেভাবে পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমান নিজ সন্তানের হতে খুন হয়েছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক। শংকা তৈরি করার মতো ঘটনা। পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমান হত্যা মামলায় তাদের মেয়ে ঐশী রহমানকে ১২ নভেম্বর মৃত্যুদ- দিয়েছেন আদালত। এক ঐশীর ফাঁসি এ জাতিয় ঘটনা রোধ হবে তা কিন্তু নয়। এজন্য মাদকের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সোচ্চার হতে হবে।
মাদকাসক্ত ছেলে বাবা-মাকে খুন করছে, ভাই ভাইকে নেশার ঘোরে খুন করছে। সন্তান যখন পরিবারের সদস্যদের জন্য সহিংস হয়ে ওঠে তখন এর চেয়ে ভয়ানক আর কি হতে পারে? আমরা ধর্ম-কর্ম থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। ভিনদেশী কালচার রপ্ত করছি। দেশ মাদকে সয়লাব করে দিচ্ছি আর সামাজিক বন্ধন লুপ্ত হয়ে যাচ্ছে বিধায় এমন ঘটনা ঘটছে। অবাক হওয়ার বিষয়Í কত কিছু নিয়েই না ঝড় বয়ে যায় দেশে। মাদক নিয়ে কেউ কথা বলেন না। সংসদে গালাগালি, খিস্তি-খেউড় কত কিছু হয় মাদক নিয়ে, তারা এক্কেবারে চুপ থাকেন। কেন থাকেন? সরকার দলের তারাও চুপচাপ, বিরোধীদলের তাদের মুখেও কুলুপ আঁঁটা থাকে। দু`একজন যাও বলে তা মোটেও জোরালো নয়। আর দেশের মাথাওয়ালাদের চুপচাপ এমন পরিবেশই দেশ মাদকে সয়লাব করে দিচ্ছে আমাদের মাদক বিক্রি সিন্ডিকেট। দেশজুড়ে কেবলই মাদকের লুটোপুটি। কি করছে সরকার? সরকারের কি দায়-দায়িত্ব বলে কিছু নেই। তা প্রতিকারে রাষ্ট্রযন্ত্রের তত্পরতা নিষ্প্রভ কেন? মাদক নির্মূলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বটা একটু বেশি। আজকাল পত্র-পত্রিকাতে যা দেখছি তাতে মাদক নির্মূলের চেয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মাদককে লালন করছে বেশি।
ঐশী বাবা-মা নির্মমভাবে খুন করেছে। তার ফাঁসিই ঘটনার সত্যতা প্রমান করে। এমন অবিশ্বাস্য-নির্মম ঘটনা কি কখনো ঘটেছে দেশে? আমার জানামতে এটাই এ জাতীয় প্রথম ঘটনা। তবে সজ্ঞানে নয়, মাদকের নেশায় বুঁদ হয়ে অসুস্থ মস্তিষ্কে বাবা-মাকে হত্যা করছে ঐশী। শুধু ঐশীই নয়, অনেক তরুণ-তরুণীই এখন মাদকাসক্ত হয়ে ঘটাচ্ছে ভয়াবহ অপরাধ। এসব ঘটনায় তারা গ্রেপ্তারও হচ্ছে। কিন্তু সমস্যার মূলে হাত পড়ছে না। রোধ করা যাচ্ছে না দেশব্যাপী মাদকের অবাধ বেচাকেনা। যাদের এ অবৈধ ব্যবসা রোধ করার কথা সেই আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী ও অবৈধ ব্যবসায়ীদের মদদেই চলছে মাদক ব্যবসা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রশাসনিক কলকব্জা আয়ত্তে এনে সারা দেশে অবাধে চলা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত একশ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা। তাদের চোখের সামনে দিয়েই সীমান্তপথে আসছে মাদকের চালান। বিকিকিনি হচ্ছে পুলিশের নাকের ডগাতেই। হাত বাড়ালেই ইয়াবা থেকে শুরু করে ফেনসিডিল, হেরোইন, গাঁজাসহ অন্যান্য মাদক পাচ্ছে স্কুল, কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ। এর ফলে ভেঙে পড়ছে পারিবারিক বন্ধন। বাড়ছে অপরাধ। বিপথে যাচ্ছে অসংখ্য নিষ্পাপ তরুণ-তরুণী, ধ্বংস হচ্ছে পরিবার। সন্তানের নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত বাবা-মা ও সমাজের দৃষ্টি রাখা দরকার। চলতি বছরের মার্চে নাটোরে মাদকাসক্ত ছেলের শাবলের আঘাতে বাবা, রাজধানীর পুরোনো ঢাকায় একজন জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতার বড় ছেলে মাদকাসক্ত ছোট ছেলের হাতে খুন হয়েছে। পুরোনো ঢাকায় নরেন্দ্রনাথ বসাক লেনে মাদকাক্ত ছেলের হাতে খুন হয়েছে তার বাবা। ২০১৫ সালেও দেশে ছেলের হাতে তার বাবা-মা, ভাইয়ের হাতে ভাই খুন হয়েছে। সকল ঘটনার পরিসংখ্যান হয়তো কোথাও নেই। তবে গত ১০ বছরে মাদক সংক্রান্ত মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি জ্যামিতিক হারকেও হার মানিয়েছে। গত ৭ মাসে এ সংক্রান্ত মামলা হয়েছে ১ লাখ ৬ হাজারের উপরে। গত ১০ বছরে মাদক সংক্রান্ত মামলা বেড়েছে ৪ গুণ। সুতরাং বুঝা যায়, মাদক আক্রান্তের সংখ্যা কল্পনাকেও ছাড়িয়ে যেতে বসেছে। মাদক যেন মুড়ি-মুড়কির মতো বিকিকিনি হচ্ছে দেশে। পত্রিকার সূত্রমতে, দেশে বছরে ২৫ হাজার কোটি টাকার মাদক কেনাবেচা হয়। মাদক গ্রহণকারীর সংখ্যা কত তার সঠিক পরিসংখ্যান কারো কাছে নেই। সরকার বলছে- ৫০ লাখ; কিন্তু বেসরকারি সূত্রমতে ৭০ লাখেরও বেশি। এদের অধিকাংশই যুবক-যুবতী ও তরুণ-তরুণী। মাদক গ্রহণকারীর ৮০ ভাগের বয়স ১৫ থেকে ৩৫ বছর। বিশ্বের নেশাগ্রস্ত দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৭ম। এর ভয়াল থাবা বিস্তৃত হয়েছে শহর হতে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত। বিভিন্ন মাদকের মরণ নেশায় প্রতিদিন আক্রান্ত হচ্ছে ৮-১০ বছরের শিশু হতে শুরু করে নারী এমনকি বৃদ্ধরাও। ২০০২ সালে দেশে মাদক অপরাধীর সংখ্যা ছিল ৬ শতাংশ। বর্তমানে তা ২০ শতাংশের বেশি। বাংলাদেশকে ঘিরে প্রতিবেশী দেশের সীমান্তে গড়ে উঠেছে হাজার হাজার ফেনসিডিলের কারখানা। সংঘবদ্ধ চক্র মিয়ানমার হতে কক্সবাজার দিয়ে সারাদেশে সুকৌশলে ছড়িয়ে দিচ্ছে ইয়াবা। নতুন নেশা ইয়াবার ফাঁদে জড়িয়ে পড়ছে তরুণ সমাজ। বিশেষ করে স্কুল-বিশ্ববিদ্যালয়গামী ছেলেমেয়েরা। ফেনসিডিল, হেরোইন, ইয়াবা কোনোটি দেশে উত্পাদিত না হলেও তা পাওয়া যাচ্ছে যত্রতত্র। সামাজিক সমস্যা ছাপিয়ে এটি যেন গত দু`দশকে পারিবারিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে।
এখন ঘরে ঘরে মাদকাসক্ত। মাদকাসক্ত ছেলে বাবা-মাকে খুন করছে, ভাই ভাইকে নেশার ঘোরে খুন করছে। সন্তান যখন সহিংস হয়ে উঠে তখন এর চেয়ে ভয়ানক আর কি হতে পারে? আমরা ধর্মকর্ম থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। ভিনদেশী কালচার রপ্ত করছি। দেশ মাদকে সয়লাব করে দিচ্ছি আর সামাজিক বন্ধন লুপ্ত হয়ে যাচ্ছে বিধায় এমন ঘটনা ঘটছে। নিজ সন্তানেরা বাবা-মাকেও নেশাগ্রস্ত হয়ে খুন করছে। এখন সাধারণ পরিবারে খুনের ঘটনা ঘটছে, একসময় উচ্চ পর্যায়ে ঘটবে। এ অবস্থা চলতে থাকলে মেয়র, চেয়ারম্যান সাহেবগণ খুন হবেন নিজ সন্তানের হাতে, এমপি মহোদয়, মন্ত্রী মহোদয়গণ খুন হবেন মাদকাসক্ত সন্তানের হাতে, সর্বোপরি দেশের কোন প্রধানমন্ত্রী, এমনকি কোন মহামান্য প্রেসিডেন্ট তার মাদকাসক্ত সন্তাদের হাতে খুন হলেও অবাক হবার কিছুই থাকবে না। এমন দিনের মুখমুখিই হচ্ছি আমরা। দেশে একটার পর একটা ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। দেখছি কিন্তু কিছুই করতে পারছি না। অবাক হওয়ার বিষয় কত কিছু নিয়েই না ঝড় বয়ে যায় দেশে। মাদক নিয়ে কেউ কথা বলেন না। সংসদে গালাগালি, খিস্তি খেউর কত কিছুই হয়, কিন্তু মাদক নিয়ে তারা একেবারে চুপ থাকেন। সরকারদলের ওনারাও চুপচাপ, বিরোধীদলের ওনাদের মুখেও কুলুপ আঁটা থাকে। দু’একজন যাও বলেন তা মোটেও জোরালো নয়। আর দেশের মাথাওয়ালাদের চুপচাপ এমন পরিবেশই দেশ মাদকে সয়লাব করে দিচ্ছে আমাদের মাদক বিক্রি সিন্ডিকেট। দেশ জুড়ে কেবলই মাদকের লুটোপুটি। কি করছে রাষ্ট্র? রাষ্ট্রের কি দায়-দায়িত্ব বলে কিছু নেই? তা প্রতিকারে রাষ্ট্রযন্ত্রের তৎপরতা নিষ্প্রভ কেন? মাদক নির্মূলে পুলিশের দায়িত্বটাই বেশি। আজকাল পত্র-পত্রিকাতে যা দেখছি তাতে মাদক নির্মূলের চেয়ে পুলিশ মাদকের লালন করছে বেশি। পুলিশের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ীদের সহায়তা করা, কোথাও কোথাও পুুলিশ নিজেরাই মাদক বিক্রি করার মতো ঘৃণ্য অপরাধ করছে বলেও খবর প্রকাশ হচ্ছে। মাদক থেকে সংগৃহীত অর্থ পুলিশের র্ঊর্ধ্বতনদের হাত পর্যন্ত পৌঁছে বলেও আমরা খবরের কাগজে দেখছি।
বর্তমানে মাদক যেন মুড়ি-মুড়কির মতো। মাদক দেশময় ছড়িয়ে পড়েছে। প্রকাশিত এক সংবাদ থেকে জানা যায়, দেশে বছরে ২৫ হাজার কোটি টাকার মাদক কেনাবেচা হয়। মাদক গ্রহণকারীর সংখ্যা কত তার সঠিক পরিসংখ্যান কারো কাছে নেই। সরকার বলছে, ৫০ লাখ; কিন্তু বেসরকারি সূত্র মতে, ৭০ লাখেরও বেশি। এদের অধিকাংশই যুবক-যুবতী ও তরুণ-তরুণী। মাদক গ্রহণকারীর ৮০ ভাগের বয়স ১৫ থেকে ৩৫ বছর। এর ভয়াল থাবা বিস্তৃত হয়েছে শহর হতে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত। বিভিন্ন মাদকের মরণ নেশায় প্রতিদিন আক্রান্ত হচ্ছে ৮-১০ বছরের শিশু হতে শুরু করে নারী এমনকি বৃদ্ধরাও। ২০০২ সালে দেশে মাদক অপরাধীর সংখ্যা ছিল ৬ শতাংশ। বর্তমানে ২০১৫ সালে তা ২০ শতাংশের বেশি। এর ব্যবসা জমে ওঠেছে দেশে। মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস নিয়ে গঠিত ‘গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গাল’, ভারত, নেপাল ও তিব্বতের সীমান্তবর্তী অঞ্চল নিয়ে ‘গোল্ডেন ওয়েজ’ এবং পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও ইরানের সীমান্তবর্তী অঞ্চল নিয়ে ‘গোল্ডেন ক্রিসেন্ট’ বাংলাদেশকে ঘিরে ফেলেছে। ফলে বাংলাদেশ বিশ্বের বৃহত্তম মাদক উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদের থাবার মধ্যে অবস্থান করছে।
মাদক আমাদের সমাজকে কীভাবে কুরে কুরে খাচ্ছে তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। বয়স, লিঙ্গ, সামাজিক অবস্থান কোনো কিছুর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই এই আসক্তির। মাদকের কারণে নিজের শিশুকে বিক্রি করে দিচ্ছে মা-বাবা, এমন ঘটনাও ঘটছে। মাদক ক্রয়ের টাকা না দেয়ায় স্বামী স্ত্রীকে নির্যাতন করছে, এমনকি খুনও করছে। এ সমস্যা কেবলমাত্র পারিবারিক বলে মনে করার কোন কারণ নেই। মূল সমস্যা, সমাজ ও রাষ্ট্রের। দেশের উদীয়মান শ্রেণী যদি সমাজ বৈশিষ্ট্যের বিরূপতার শিকার হয় তাহলে দেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। দেশকে রক্ষা করতে হলে সংশ্লিষ্টদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। পরিস্থিতি উত্তরণে মাদকাসক্তি, যৌনাচার এবং পর্ণোগ্রাফি প্রতিরোধে সুচিন্তিত ও সমন্বিত কর্মপন্থা গ্রহণ করা দরকার। একটি প্রজন্ম ধ্বংস হওয়ার আগে আমাদের সবার দায়িত্ব হবে দেশ থেকে মাদক নির্মূল করা। এজন্য দেশের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, এমপি সকলে যে যার জায়গা থেকে মাদকের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে হবে। হুঙ্কার দিতে হবে দেশ থেকে মাদক নির্মূল করার। আমরা বিশ্বাস করি রাষ্ট্রের কাছে মাদক সিন্ডিকেট মোটেও শক্তিশালী নয়। রাষ্ট্র চাইলে দেশে মাদকের প্রসার কমবে। আর রাষ্ট্র তা সহসাই করবে এটাই প্রত্যাশা।

(লেখক- মীর আব্দুল আলীম, সাংবাদিক, গবেষক ও কলামিস্ট)






Related News

CAMBIOS PLANETA

মানুষ’র জীবন ও সৃষ্টির রহস্য

Share Button

আল্লাহ তায়লা যখন মানুষ সৃষ্টি করার ইচ্ছা পোষন করলেন । তখন তিনি ফিরিস্তাদের সাথে আলাপRead More

বাংলা ফটো নিউজ এ্যাড 1

বেঈমান হতে চাই ঈমানদার বেঈমান

Share Button

এই বসন্তে আমি কোকিল হবো… গানের বদলে স্লোগান দিবো… ”বেঈমান হতে চাই ঈমানদার বেঈমান”/ রিক্সাRead More

  • মুজিব কোর্ট
  • ঐশীর ফাঁসিই শেষ কথা নয়!
  • ইন্টারনেটের কানা-গলি
  • কিভাবে চিনবেন ক্ষতিকারক ওষুধ খাওয়ানো মোটাতাজা গরু ?
  • শর্তের বেড়াজালে প্রত্যাশিত ভারতীয় ঋণ
  • সাভার ব্যাংক কলোনির প্রতারক পান্নুর খুটির জোর কোথায় ?
  • রমজানে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করা অনৈতিক
  • রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা