\ মহেশখালীতে ৪৩ জলদস্যুর অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ | Bangla Photo News
Friday , November 16 2018
Homeঅন্যান্যমহেশখালীতে ৪৩ জলদস্যুর অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ
মহেশখালীতে ৪৩ জলদস্যুর অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ

মহেশখালীতে ৪৩ জলদস্যুর অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ

বাংলা ফটো নিউজ : কক্সবাজার উপকূলের মোট ৬টি জলদস্যু বাহিনীর ৪৩ জন সদস্য অস্ত্রসহ আত্মসমর্পন করেছে। শনিবার দুপুরে কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো.আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে জলদস্যুরা একে একে অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করে।

মহেশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে র‌্যাব আয়োজিত এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, পুলিশের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পুলিশ কর্মকর্তা খন্দকার গোলাম ফারুক, মহেশখালী কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো.কামাল হোসেন, পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানসহ বিভিন্ন পেশার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে মহেশখালী-কুতুবদিয়া-বাশখালী তথা কক্সবাজার উপকূলের আনজু বাহিনীর ১০ জন সদস্য ২৪টি অস্ত্র ও ৩৪৫ টি গোলাবারুদ, রমিজ বাহিনীর ২ জন ৮ টি অস্ত্র ও ১২০ টি গোলাবারুদ, নুরুল আলম ওরফে কালাবদা বাহিনীর ৬ জন ২৩ টি অস্ত্র ও ৩৩৩ টি গোলাবারুদ, জালাল বাহিনীর ১৫ জন ২৯ টি অস্ত্র ও ৬ হাজার ৭৯৮ টি গোলাবারুদ, আইয়ুব বাহিনীর ৯ জন ৯টি অস্ত্র ও ৩৭ টি গোলাবারুদ ও আলাউদ্দিন বাহিনীর ১ জন ১ টি অস্ত্র ও ৪টি গোলাবারুদ জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করে। অস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে, এসএমজি ১টি, ব্রিটিশ ৩৪ রিভলবার ১টি, দেশি পিস্তল ২টি, দেশি একনলা বন্দুক ৫২টি, দেশি দুই নলা বন্দুক ২টি, ওয়ান শ্যুটারগান ১৯টি, থ্রি কোয়ার্টার ১৫টি ও ২২ বোর রাইফেল।

পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান কামাল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কড়া নির্দেশনা রয়েছে দেশে কোনও অবস্থাতেই মাদক ও অস্ত্রবাজি থাকতে পারবে না। দেশের বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসীরা আত্মসমর্পণ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় মহেশখালীর উপকূলীয় এলাকার জলদস্যুরা আত্মসমর্পণ করেছে। আমরা দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী এসব জলদস্যুদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ করে দেব। এখনও যারা আত্মসমর্পণ করেননি তাদের এখনও স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সময় আছে। তাই সুযোগ থাকতে দ্রুত অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করুন। না হলে কঠোরভাবে দমন করা হবে।

উল্লেখ্য, জলদস্যুরা বহু বছর ধরে কক্সবাজার উপকূলের মহেশখালী, কুতুবদিয়া, ছনুয়া ও বাশখালীর সাগর উপকূলে মাছ ধরার ট্রলারে ডাকাতি করে আসছে। এসব জলদস্যুরা গভীর সাগরে লুটকৃত মাছসহ মালামাল বেচাকেনার বাজার বসালেও তাদের দমন করা যাচ্ছিল না। শুধু তাই নয় এসব জলদস্যুরা সাগরে ডাকাতি, হত্যা, লুটরাজ চালিয়ে আসছিল।এ বিষয়ে নয়া দিগন্ত ইতিপূর্বে গভীর সাগরে ‘জলদস্যু হাট’ শিরোনামে একটি তথ্যসমৃদ্ধ সংবাদ প্রকাশ করলে সংশ্লিষ্টদের টনক নড়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*