1. rowshonsavar@gmail.com : admin2021 :
  2. rowshonsavar@gmail.com : Rowshon Ali : Rowshon Ali
October 21, 2026, 9:53 am
শিরোনামঃ
আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার ছাদ থেকে লাফিয়ে কর্মকর্তার মৃত্যু: এমডি ও পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা গ্যারেজ ভাড়া কমানো ও ভাড়া পুনর্নির্ধারণের দাবিতে সাভারে অটোরিকশা চালকদের কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ সংবাদপত্রের সরকারি বিজ্ঞাপনের মূল্যহার পুনর্নির্ধারণ সাভারে গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালসে আগুন, আহত ১ সাভারে ফ্যামিলি কার্ডের জরিপ শুরু, স্বচ্ছতা ও অগ্রাধিকার পাচ্ছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ইয়ারপুর ইউপি কর্মকর্তা আফজালের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ সাভারে মাদ্রাসা ছাত্র জিসান নিখোঁজ, সন্ধানের আকুতি মায়ের সাভারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের মশারি উপহার আশুলিয়ায় ২৪ ঘণ্টায় তিন নারীসহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ ইয়ারপুর ইউপি কর্মকর্তা আফজালের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ

মা-ছেলের শরীরে রয়েছে ১১২টি আঘাতের চিহ্ন

  • আপডেট টাইম : Wednesday, April 4, 2018
  • 376

বাংলা ফটো নিউজ : সিলেট নগরীর মিরাবাজার খারপাড়া এলাকায় রোকেয়া বেগম (৪০) ও তার ছেলে রবিউল ইসলাম রোকন (১৮) হত্যার ঘটনায় কাউকেই পুলিশ এখনো আটক কিংবা গ্রেফতার করতে পারেনি। তবে, পুলিশ বলছে মা- ছেলের হত্যা রহস্য জট শিগগিরই খুলবে। এ দিকে মা-ছেলেকে ছুরিকাঘাতেই হত্যা করা হয়- এমনটি জানা গেছে ফরেনসিক সূত্রে।

সূত্র জানায়, ময়নাতদন্তের সময় তাদের দু’জনের শরীরে ১১২টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রোকেয়া বেগমের শরীরে ৭২টি ও রোকনের শরীরে পাওয়া যায় ৪০টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন। সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের একজন চিকিৎসক জানান, প্রাথমিকভাবে তারা নিশ্চিত রোকেয়া বেগম ও তার ছেলে রোকনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। একেকটি ছুরিকাঘাতের ক্ষত অনেক গভীর। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। পুলিশের ধারণা, পেশাদার খুনিরা ঠাণ্ডা মাথায় খুন করেছে মা-ছেলেকে। একাধিক ঘাতক অনেক সময় নিয়ে তাদের হত্যা করে।

এখনো তানিয়ার খোঁজ মেলেনি : মা-ছেলের খুনের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি যে নামটি আলোচিত হচ্ছে সেটি হচ্ছে বাসার গৃহকর্মী তানিয়া (২২)। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া শিশু রাইসা বলেছে, হত্যাকাণ্ডের সময় তানিয়া বাসাতেই ছিল। তার সাথে আরোও কয়েকজন পুরুষও ছিল। কিন্তু ঘটনার পর থেকে গৃহকর্মী তানিয়ার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। ইতোমধ্যে তানিয়াকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে বিভিন্ন থানাকে অবগত করেছে পুলিশ। এ দিকে স্থানীয়দের সাথে আলাপ করে তানিয়া সম্পর্কে পাওয়া গেছে রহস্যজনক তথ্য। সে কোনো দিনই ওই বাসা থেকে বোরকা ছাড়া বের হয়নি। আশপাশের বাসার মানুষের সাথে তাকে কখনো কথা বলতে দেখা যায়নি।

পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত : নিহত রোকেয়া বেগমের ভাই জাকির হোসেন বাদি হয়ে মা-ছেলে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রোববার রাতে সিলেট কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত কার্যক্রম সন্তোষজনক বলে মন্তব্য করে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার আব্দুল ওয়াহাব (গণমাধ্যম) সংবাদ মাধ্যমকে জানান, আসামি কেউ ধরা পড়েনি। আমরা এখনো বুঝে উঠতে পারছি না, কেন এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। রোকেয়া বেগমের ভাই জানান, প্রতিদিনই ঘটনাস্থলে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এসে খোঁজখবর নিচ্ছেন ও জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।

কোতোয়ালি থানার ওসি গৌছুল হোসেন বলেন, তদন্তে কিছু ক্লু পাওয়া গেছে, সেগুলো যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে পুলিশ সব তথ্য গণমাধ্যমে দিচ্ছে না। তবে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে থাকা রাইসা পুলিশকে গুরত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছে। এগুলোর মাধ্যমেই জোড়া খুনের রহস্য উদঘাটন হতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। এসব তথ্যের ভিত্তিতে এবং এজাহারে উল্লেখ করা তথ্যের ওপর চলছে তদন্ত কাজ। রাইসা ঘটনার পরপরই পুলিশের কাছে বলেছিল, গৃহকর্মী তানিয়া তার গলা চেপে ধরেছিল। তার সাথে আরো কয়েকজন ছিল।

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, জোড়া খুনের সাথে যারা জড়িত তারা মা ও ভাইয়ের সাথে শিশু রাইসাকেও গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করেছিল। ওই সময় রাইসা সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে তাকে মৃত ভেবে বাসার ভেতর ফেলে রেখে ঘাতকরা পালিয়ে যায়। রাইসার গলায় আঙুলের ছাপ পাওয়া গেছে। সেটা সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে।

আসামিদের গ্রেফতার করার পর তাদের আঙুলের ছাপের সাথে সংরক্ষণ করা ছাপগুলো মিলিয়ে দেখা হবে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) হুসনে আরা বেগম জানান, উদ্ধার হওয়া শিশুটি পুলিশের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রয়েছে। শিশুটি মানসিকভাবে এখনো অসুস্থ, ভয় পাচ্ছে। যে কারণে তার ২২ ধারায় জবানবন্দী নেয়া হচ্ছে না। তিনি বলেন, ঘটনার পর থেকে আসামিদের গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত রোববার সকালে সিলেট নগরীর মিরাবাজার খারপাড়া ১৫/জে নং বাসার নিচতলা থেকে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের হেলাল মিয়ার স্ত্রী রোকেয়া বেগম ও ছেলে রবিউল ইসলাম রোকনের লাশ তাদের নিজ নিজ ঘর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

এ সময় বাসা থেকে রাইসা নামে পাঁচ বছরের শিশুকন্যাকে উদ্ধার করা হয়। তার গলায়ও আঘাতের চিহ্নহ্নহ্ন রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Bangla Photo News
Theme Customized By BreakingNews