বাংলা ফটো নিউজ : দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংসস্থা (এনজিও) ‘আশা’ -র ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের শীর্ষ দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সংস্থায় পুনর্বাসন এবং দলীয় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা হলেন আশা’র ঢাকা বিভাগের বিভাগের ম্যানেজার সাজেদুল ইসলাম চৌধুরী ও অতিরিক্ত বিভাগের ম্যানেজার কামরুল হাসান।
সংস্থার একাধিক সূত্র এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সারা দেশে যখন সংস্কার ও শুদ্ধি অভিযান চলছে, তখন এই দুই কর্মকর্তা নিজস্ব প্রভাব খাটিয়ে শ্রম ও অর্থ দিয়ে ঢাকায় বিশেষ করে শ্যামলী, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের লোকজনদের পূর্ণবাসনের যা যা করা দরকার সবই করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুধু তাই নয় আশা কর্মরত কর্মীও গ্রাহকদের বিভিন্নভাবে টেপে ফেলে নিজের ফায়দা লুটছে এক কথায় বলা যায় তারা গোপনে সরকার বিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।
উল্লেখ্য, যে তারা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের একজন প্রভাবশালী এমপি ঘনিষ্ঠ আত্মীয় হওয়ার সুবাদে ঢাকায় তাদের সেলটারে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে জুলাই আন্দোলনে হত্যাকারী আসামি রয়েছে।
এই সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে আশা’র ঢাকা বিভাগের ম্যানেজারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে একটি অরাজনৈতিক ও সেবামূলক সংস্থায় এ ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও পক্ষপাতিত্বের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন সচেতন মহল। তারা অতিবিলম্বে এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আশা’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
Leave a Reply