1. rowshonsavar@gmail.com : admin2021 :
  2. rowshonsavar@gmail.com : Rowshon Ali : Rowshon Ali
June 6, 2026, 4:19 am
শিরোনামঃ
সাভারে সবজি কিনতে গিয়ে হেনস্তার শিকার নায়লা নাঈম সাভারে প্রভাবশালীদের দখলে ঐতিহ্যবাহী কর্ণপাড়া খাল, নীরব প্রশাসন সাভারে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩ সাভার পৌরসভা অনুমোদিত একমাত্র গরু-ছাগলের হাট উদ্বোধন আশুলিয়ায় দুই ভাইকে গুলি করে পালাল দুর্বৃত্তরা সাভার দলিল লেখক কল্যাণ সমিতির নির্বাচনে সভাপতি আকতার সম্পাদক মজিবুর সাভারে চামড়া শিল্পনগরীর শোধনাগারের ঈদের চাপ সামলানোর সক্ষমতা নেই সাভার-আশুলিয়ায় গ্যাস থাকবে না ১৮ ঘণ্টা জাবিতে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি ঘিরে বিভক্তি সাভারে ২০০ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি জমি দখলের অভিযোগে মামলা, পৌর কর্মকর্তাকে শোকজ

আগুন পোহাতে গিয়ে এত মৃত্যু কেন?

  • আপডেট টাইম : Tuesday, January 14, 2020
  • 425

বাংলা ফটো নিউজ : দেশে তীব্র শীতে উষ্ণতার জন্য আগুন পোহাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হওয়ার ঘটনা অনেক বেড়ে গেছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে। চলতি মাসেই উত্তরবঙ্গসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বেশ কয়েকজন এমন অগ্নিদগ্ধ রোগী মারা গেছেন। সেখানে বার্ন ইউনিটে ভর্তি শত ভাগ রোগীই একই ভাবে অগ্নিদগ্ধ হয়ে এসেছেন।

আক্রান্তদের মধ্যে বিশেষ করে বয়স্ক নারীদের সংখ্যা অনেক বেশী।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হালিমা খাতুন বলেন, খড়ের আগুন জ্বালানো দেখে আমি সেই আগুন পোহাতে গিয়েছি। মেঘলা মেঘলা, কুয়াশা পড়ছে তো তাই শীত লাগে। এই আগুন পোহাতে গিয়েই আমার এই বিপদ। শাড়িতে আগুন লেগে উপরের দিকে উঠে সারা শরীর আমার আগুনে পুড়ে গেছে।

জেলা পর্যায়ে চিকিৎসা সম্ভব নয় এমন বহু রোগী সারা বাংলাদেশের নানা অঞ্চল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে এসেছেন।

এমন ভয়ানক কাহিনী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে আরো শোনা যায়।

তবে উত্তরবঙ্গের নির্দিষ্ট কিছু এলাকা, যেমন রংপুর, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও দিনাজপুর থেকে আসা রোগীর সংখ্যাই বেশি।

আর তাদের মধ্যে নারীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেশি। এছাড়াও রোগী ভর্তি আছে তার ৬৫ ভাগই নারী। ঢাকা মেডিকেলে গিয়েও এমন ধারনাই পাওয়া গেলো। বিশেষ করে বয়স্ক নারীরাই বেশি শিকার হচ্ছেন এ ধরণের ঘটনার।

শীতকালে অগ্নিদগ্ধ হলে সেটি অন্য সময়ের থেকে মারাত্মক হয়ে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটের উপদেষ্টা ড: সামন্ত লাল সেন বলছেন, এই যে আমার পরনে যে কাপড় এর উলের তৈরি সোয়েটার, লেপ, কাঁথা বা কম্বল এমন ভারি কাপড় অনেক দ্রুত আগুন ছড়ায় এবং তার তীব্রতা বেশী থাকে তাই পুড়ে যাওয়ার মাত্রাও অনেক বেশি থাকে।

রোগীদের বড় অংশই দরিদ্র পরিবার থেকে আসা বলে তিনি জানিয়েছেন। তিনি বলছেন তার অভিজ্ঞতায় যে ধরনের ঘরে বাংলাদেশের গ্রামের মানুষ বসবাস করেন সেটিও একটি কারণ।

খড়কুটোর ঘরে রাতে আগুন পোহানো গ্রামে শীতকালে অগ্নিকাণ্ডের অন্যতম কারণ। আর বাংলাদেশের গ্রামগুলোতে গরীব মানুষের বাড়িঘর বানানো হয় দ্রুত আগুন লাগে তেমন বস্তু দিয়ে। সেখানে খুব গাদাগাদি করে থাকা ঘরের ভেতরেই হয়ত রান্না হয়। বিশেষ করে শীতকালে। তাতে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি অনেক বেশি।

অন্যদিকে বাংলাদেশের উপর দিয়ে এখন যে তীব্র শীত বয়ে যাচ্ছে সেটি আরো দুই দিন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সামনে আরো এক দফা মাঝারী ধরনের শৈত্য প্রবাহ আসতে পারে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। তাই এমন অগ্নিদগ্ধ হওয়ার ঘটনা আরো ঘটার আশংকা রয়েই যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Bangla Photo News
Theme Customized By BreakingNews