বাংলা ফটো নিউজ : দ্রব্য মুল্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে সাভারে একটি রাস্তার কাজে নিম্ন মানের ইট, বালি ও সিমেন্টস ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। এলাকাবাসী অবিলম্বে ওই ঠিকাদারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
জানা গেছে, নিম্ন মানের ইট,বালু সিমেন্টস ব্যবহার করে রাস্তাটি নির্মাণ করায় যেকোন সময় ভেঙ্গে যেতে পারেন বলে আশঙ্কা করেছেন স্থানীয়রা। নিম্ন মানের কাজ করায় এলাকাবাসী বিষয়টি নিয়ে কথা তুললে তাদেরকে হুমকি ধামকি দিচ্ছেন ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বলেও অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী বলছে,সাভার উপজেলার ভাকুর্তা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড এলাকায় হারুরিয়া রাস্তার নির্মাণ কাজ পান ঢাকার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
২০১৮ সালে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি রাস্তার কাজটি ৮০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে পান। এর পর থেকেই বিভিন্ন অজুহাতে কাজটি বন্ধ রাখা হয়। সম্প্রতি ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি রাস্তার নির্মাণ কাজ শুরু করেন। রাস্তার নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্ন মানের ইট,বালু ও সিমেন্টস সহ নানান নির্মাণ সামগ্রী। সেই সাথে সিমেন্টের বদলে ইটের সাথে মেশানো হচ্ছে মাটি। যার ফলে যেকোন সময় রাস্তাটি ভেঙ্গে যেতে পারে। সরকারী টাকা ব্যায়ে রাস্তাটি করা হলেও আবারও যদি ভেঙ্গে যায় তাহলেতো রাস্তাটি আবারও করতে হবে এতে করে সরকারী টাকা অপচয় হবে বলে মনে করেন এলাকাবাসী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তাটিতে একদম নিম্ন মানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে কাজ করছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা। নির্মাণ শ্রমিকরা বলেন,নিম্ন মানের ইটসহ বিভিন্ন সামগ্রী দিয়ে রাস্তা তৈরি করা হলে রাস্তা ঠিকবে না যেকোন সময় ভেঙ্গে যেতে পারে কিন্তু আমাদের কি করার। এলাকাবাসী অবিলম্বে ওই ঠিকাদারের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন। এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা মুঠোফোনে বলেন,রাস্তাটির কাজ তারা ২০১৮ সালে পান। এর পর কাজটি বন্ধ ছিলো। এখন কাজটি শুরু হয়েছে কিন্তু দ্রব্য মুল্যসহ জিনিস পাতির যেভাবে দাম বেড়েছে তাই নিম্ন মানের সব কিছু দিয়ে কাজটি করা হচ্ছে। দুই টাকা লাভের আশায় তো আমরা ঠিকাদারি করি আমাদেরও তো সংসার আছে তা না হলে আমরা কি খেয়ে বাচবো। নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহার করে তিনি রাস্তাটি নির্মাণ করার কথা শিকার করে বলেন,বাজেট কম দ্রব্য মুল্যের উর্ধ্বগতি সব মিলিয়ে তাই নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে।
যোগাযোগ করা হলে সাভার উপজেলা প্রকৌশলী সালেহ হাসান প্রামাণিক বলেন,নিম্ন মানের কাজ হলে তদন্ত করে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply