1. rowshonsavar@gmail.com : admin2021 :
  2. rowshonsavar@gmail.com : Rowshon Ali : Rowshon Ali
October 29, 2026, 2:52 am
শিরোনামঃ
​ধর্ষণের অভিযোগে সাভারে মাদ্রাসায় হামলা-ভাঙচুর, পুলিশ অবরুদ্ধ আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার ছাদ থেকে লাফিয়ে কর্মকর্তার মৃত্যু: এমডি ও পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা গ্যারেজ ভাড়া কমানো ও ভাড়া পুনর্নির্ধারণের দাবিতে সাভারে অটোরিকশা চালকদের কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ সংবাদপত্রের সরকারি বিজ্ঞাপনের মূল্যহার পুনর্নির্ধারণ সাভারে গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালসে আগুন, আহত ১ সাভারে ফ্যামিলি কার্ডের জরিপ শুরু, স্বচ্ছতা ও অগ্রাধিকার পাচ্ছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ইয়ারপুর ইউপি কর্মকর্তা আফজালের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ সাভারে মাদ্রাসা ছাত্র জিসান নিখোঁজ, সন্ধানের আকুতি মায়ের সাভারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের মশারি উপহার আশুলিয়ায় ২৪ ঘণ্টায় তিন নারীসহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার, আটক ১

তরুণ উদ্যোক্তার রুপসী বাংলা ফাউন্ডেশন ধ্বংসের চক্রান্তের প্রতিবাদে ক্ষোভে ফুসছে সাভার

  • আপডেট টাইম : Saturday, April 2, 2022
  • 714

বাংলা ফটো নিউজ : সাভারে অসহায় দুঃস্থ নারীদের কারিগরি কাজে প্রশিক্ষিত করাসহ স্বনির্ভর করার স্বপ্নময় উদ্যোগ নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন এক উদ্যোক্তা। চিহ্নিত চাঁদাবাজদের বহুমুখী ধান্দাবাজির ফাঁদে পড়ে নানা হেনস্তার শিকার হচ্ছেন তিনি। অব্যাহত হয়রানি, মিথ্যা অপপ্রচার, প্রোপাগান্ডায় অতিষ্ঠ ওই উদ্যোক্তা রাগে দুঃখে ক্ষোভে তার ব্যক্তি উদ্যোগের প্রকল্প বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ খবরে তার প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষিত হয়ে ওঠা শত শত নারীর মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। তারা প্রতিষ্ঠানটি থেকে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন সহায়তা পাবে, দোকান দিতে আগ্রহীরা পাবে সহজ শর্তে দোকান কিংবা কারখানা করার পুঁজি। ঠিক এ মুহূর্তেই অখ্যাত কয়েকটি অনলাইন মিডিয়ায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কল্পিত, ষড়যন্ত্রমূলক তথ্যাদি প্রকাশ করে পুরো কর্মকান্ডকে বিতর্কিত করার পাঁয়তারায় লিপ্ত হয়েছেন। এ নিয়ে সাভারের গ্রামে গ্রামে গড়ে ওঠা রুপসী বাংলা ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষিত নারী গ্রুপগুলোর মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।

তরুণ সমাজসেবক ডা. সাজিদ হোসেন রানার নেতৃত্বে গড়ে তোলা রুপসী বাংলা ফাউন্ডেশন নামের একটি জনকল্যাণকামী প্রতিষ্ঠানের আওতাতেই প্রশিক্ষিত নারীদের উপার্জনক্ষম শীর্ষক প্রকল্পের উদ্যোগ নেন। ডা. রানা নিজে এ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। সাভারের ব্যাংক টাউন এলাকায় ফাউন্ডেশনের প্রকল্প অফিস স্থাপন করেই প্রত্যন্ত এলাকায় অসহায় অবহেলিত নারীদের সুসংগঠিত করেন। গ্রামে গ্রামে গড়ে তোলা হয় স্বনির্ভর নারী গ্রুপ। তাদেরকে মাত্র ২০০ টাকা ভর্তি ফি’র নিয়ে সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভর্তি করা হয় এবং তিন কিস্তিতে দেড় হাজার টাকা গ্রহণের বিপরীতে পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণসহ সরকার অনুমোদিত সার্টিফিকেটও প্রদানের ব্যবস্থা রাখা হয়। এমনকি সামাজিক কল্যাণে অঙ্গিকারাবদ্ধ তরুণ ডা. সাজিদ হোসেন রানা প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী অতি দরিদ্র সদস্যদের সেলাই মেশিন কেনার ক্ষেত্রেও ব্যক্তিগত ভাবে সহায়তা করার ঘোষণা দেন। এমন মানবিকতায় প্রশিক্ষণে অংশ নেয়া নারীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়, নিজেরা নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর নতুন করে স্বপ্নও দেখেন তারা। এ স্বপ্ন স্বনির্ভরতায় বেঁচে থাকার স্বপ্ন, এ স্বপ্ন অবহেলিত নারীদের সমাজে মাথা উচু করে বাঁচতে শেখার স্বপ্ন।

নারী স্বনির্ভর সংক্রান্ত ওই প্রকল্পের আওতায় সাভারে অন্তত ২০টি গ্রুপে চার শতাধিক নারী ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষিত হয়ে উঠেছেন। রুপসী বাংলা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. সাজিদ হোসেন রানা জানান, খুব শিগগিরই এসব প্রশিক্ষিত, হতদরিদ্র নারীদের মাঝে দক্ষতার সনদপত্র দেয়া হবে এবং তাদের কারো সেলাই মেশিন কেনার ক্ষেত্রে টাকার জোগাড় না হলে সেক্ষেত্রেও তিনি ব্যক্তিগত ভাবে সহায়তা করার জন্য প্রস্তুত আছেন বলে আশ্বাস দেন। সমস্যা প্রদান করা হবে। এমন আশাপ্রদ খবরে প্রত্যন্ত এলাকার অসহায় নারীরা আশায় বুক বাধছেন। কেউ কেউ ক্ষয়ে যাওয়া পরিবারকে নিজের চেষ্টায় নতুনভাবে দাঁড়া করানোর কথা ভাবছেন, কেউবা সোমত্ত মেয়েকে এবার বিয়ে দেবার স্বপ্ন আঁকছেন। আবার কেউ কেউ ঘরে অসুস্থ অবস্থায় প্রায় পঙ্গুত্ব বরণকারী স্বামীকে চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করে তোলার কথা ভাবছেন কায়মনবাক্যে। তাদের নানা রঙের স্বপ্ন স্বাধকে বাস্তবায়ন করতে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. রানার যেন উদ্যোম উদ্যোগে যেন ঘাটতি নেই।

এ ব্যাপারে ডা. সাজিদ হোসেন রানা বলেন, এতো সীমিত একটা উদ্যোগ নেয়ায় যে শত শত পরিবারে হাসি আনএন্দর উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হবে তা আগাম কোনো ধারণাই করতে পারিনি।

 

সবকিছু ধ্বংস করে দেয়ার হুমকি…
ডা. সাজিদ রানা ও তার রুপসী বাংলা ফাউন্ডেশন যখন সাভারের অসহায় নারীদের আপন ঠিকানা হয়ে উঠতে শুরু করেছে তখনই সংঘবদ্ধ চক্র ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের জন্য নানারকম ফন্দি আঁটতে শুরু করেছে। এক্ষেত্রে প্রথমেই একজন নারী সদস্য নিজেকে পার্ট টাইমার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তার প্রশিক্ষণ ফী মওকুফ করার দাবি নিয়ে হাজির হন। ওই নারীর পরিবারটি অসহায় ও অভাবগ্রস্ত হওয়ার খবরে রুপসী বাংলা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নিজের পকেট থেকেই তার ভর্ত্তি ফি এবং পরবর্তী দুই দফায় প্রদত্ত সমুদয় টাকা পরিশোধ করে দেন। কিন্তু পরের মাসেই তিনি আরো পাঁচ জন নারী সদস্যের সব ফি মওকুফ করার দাবি নিয়ে ফাউন্ডেশন কার্যালয়ে গিয়ে বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হয়। এরপর থেকেই বিভিন্ন নামকাওয়াস্তের পত্রিকা ও অনুমোদনহীন অনলাইন পত্রিকার তথাকথিত সাংবাদিক পরিচয়ে নানাভাবে হুমকি ধমকি দেয়া শুরু হয়। এসব বিষয়কে ফাউন্ডেশন কর্মকর্তারা খুব বেশি পাত্তাও দেননি। ভেবেছেন, পার্ট টাইমার সাংবাদিক পরিচয়দানকারী নারী সদস্যটি বালখিল্যতা বশত: তারই পরিচিত যুবকদের সাংবাদিক সাজিয়ে উটকো ফোন করে বিরক্তই করছে শুধু। কিন্তু গত কয়েকদিন আগে চাঁদাবাজি, ধান্ধাবাজিতে বিতর্কিত ওই নারী তারই সাংবাদিক বন্ধু পরিচয় দিয়ে জনৈক সোহাগ, জীবন, শামীমসহ আরো তিন চার জন মহিলাকে নিয়ে হঠাৎই রুপসী বাংলা ফাউন্ডেশনের অফিসের সামনে হাজির হয়। সেখানে তথাকথিত লাইভ অনুষ্ঠানের নামে মোবাইল দ্বারা ইচ্ছেমাফিক ভিডিওচিত্র ধারণ করার পাশাপাশি সঙ্গীয় নারীদের মাধ্যমে তাদের শেখানো নানা অভিযোগ সংবলিত বক্তব্য প্রদান করাইতে থাকে। তাদের চিল্লাপাল্লা, হৈচৈ এর ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির সামনে বিপুল সংখক লোক সমাগম ঘটিয়ে রীতিমত ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে কথিত সাংবাদিক সাহেবরা আনুষ্ঠানিক/অনানুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রদান করতে থাকে। সমাজ কল্যাণ অধিদপ্তরের বৈধ সনদপত্র প্রাপ্ত (গভঃ রেজিঃ নং-স.অ/ঢাকা/১৫৩১/১৫। মবিঅ ১৫০/৯৯) ফাউন্ডেশন কার্যালয়ের সাইনবোর্ডে উল্লেখ থাকা সত্তেও কথিত সাংবাদিকগণ প্রতিষ্ঠানটিকে ভূয়া হায় হায় প্রতিষ্ঠান বলে আখ্যায়িত করতেও দ্বিধা করেনি। এমনকি সরকারি বিধি মোতাবেক সকল নিয়ম কানুন পালন পূর্বক যথাযথ অনুমোদন সাপেক্ষে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে ডা. সাজিদ হোসেন রানা বহাল থাকার পরও তাকে কথিত চেয়ারম্যান আখ্যা দিয়ে চরমভাবে অপদস্ত করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা।

এক প্রশ্নের জবাবে রুপসী বাংলা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. সাজিদ হোসেন রানা বলেন, সাভারে সীমিত সময়ে মাত্র ৪০০ নারী সদস্য নিয়ে পৃথক পৃথক ২০টি গ্রুপ খুলে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এই সীমিত সংখ্যক সদস্য থেকে দুই কোটি টাকা ভর্তি ফি নেয়ার আদৌ কোনো সুযোগ আছে কি না তা আপনাদের বিবেকের কাছেই প্রশ্ন রাখছি। মূলত: কথিত সাংবাদিক কাম প্রশিক্ষণার্থী বিভিন্ন হুমকি ধমকি দিয়ে মাসোহারা প্রদানের জন্য চাপ দিয়ে আসছিল। অসহায় দরিদ্রদের নিয়ে কাজ করা মানবিক প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদা দেয়ার কোনো উপায় না থাকায় আমরা অপারগতা প্রকাশ করেছি। ডা. সাজিদ হোসেন রানা আরো বলেন, তার প্রেক্ষিতেই ক্ষিপ্ত ওই নারী সাংবাদিক ও তাদের সহযোগিরা প্রকাশ্যেই হুমকি দিয়ে বলেছিল, টাকা না দিয়ে সাভার আশুলিয়ায় কোনো প্রতিষ্ঠান চলতে পারবে না। এই ফাউন্ডেশনকেও ধ্বংস করে সবগুলোকে তাড়িয়েই ছাড়বো। এ্ হুমকি প্রদানের তিন দিনের মধ্যেই মিথ্যা বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রকাশ করে ধূম্রজাল সৃষ্টির পাঁয়তারা চালানো হচ্ছে। বিষয়টি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটকে অবহিত করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আইনগত প্রক্রিয়ায় উত্তম ব্যবস্থা প্রার্থনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Bangla Photo News
Theme Customized By BreakingNews