\ করোনার প্রভাবে পথে বসতে চলেছে সাভার ও ধামরাইয়ের পোল্ট্রি খামারিরা | Bangla Photo News
Friday , June 25 2021
Homeলীড নিউজকরোনার প্রভাবে পথে বসতে চলেছে সাভার ও ধামরাইয়ের পোল্ট্রি খামারিরা
করোনার প্রভাবে পথে বসতে চলেছে সাভার ও ধামরাইয়ের পোল্ট্রি খামারিরা

করোনার প্রভাবে পথে বসতে চলেছে সাভার ও ধামরাইয়ের পোল্ট্রি খামারিরা

বাংলা ফটো নিউজ ; করোনার কারণে গত বছরের অর্থনৈতিক ক্ষতির ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই নতুন লকডাউনে ফের বিপাকে পড়তে হয়েছে দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের পোল্ট্রি খামারিদের। করোনার প্রথম ঢেউয়েই ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়ে অনেক ব্যবসায়ীকে তাদের ব্যবসা সংকুচিত করতে হয়। অনেকের ব্যবসাই বন্ধ হয়ে যায়।

গত বছরের ডিসেম্বর থেকে আবারও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান শুরু হতে থাকায় এবং পর্যটন খাত চাঙা হয়ে ওঠায় পোল্ট্রি মুরগি ও ডিমের চাহিদা বাড়তে থাকে। খামারিরাও লোকসান কাটিয়ে উঠতে বেশি দামে মুরগি বিক্রি করতে শুরু করেন।
খামার পর্যায়ে প্রতি কেজি সোনালি মুরগির দাম ১৮০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে যায়। আর ব্রয়লার মুরগির কেজি ১০০ টাকা থেকে হয়ে যায় ১৩০ টাকা।
চলতি মাসের পাঁচ তারিখ থেকে সাত দিনের নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে সরকার। তখন থেকেই খুচরা বাজারে পোল্ট্রি পণ্যের দাম কমে যায়। চলমান রমজানে খামার পর্যায়ে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১২০ টাকা ও প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাল ডিম প্রতিটি পাঁচ টাকা চার পয়সায় ও সাদা ডিম চার টাকা চার পয়সায় বিক্রি হয়।

গত ১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। একইদিন থেকে রমজানও শুরু হওয়ায় পোল্ট্রি ব্যবসায়ীদের আরও বেশি লোকসানে পড়তে হয়। স্বাভাবিক সময়েও রমজানে সাধারণত বেকারি ও কনফেকশনারিগুলোতে ডিমের চাহিদা কমে যায়। ফলে রমজানে দাম কমে যায় ডিমের।
এছাড়া লকডাউনও ডিমের বিক্রি কমে যাওয়ার একটি বড় কারণ বলে মনে করেন ধামরাইয়ের নান্নার ইউপি এলাকার চাউনা  মহল্লার পোল্ট্রি খামারি মোহাম্মদ জুলহাস।
জুলহাস বলেন, ‘প্রতি পিস সাদা ডিমে খামারিদের তিন টাকা করে লোকসান হচ্ছে। পরিস্থিতি যদি এমনই থাকে, তাহলে পোল্ট্রি খাত ধ্বংস হয়ে যাবে।’

বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদের (বিপিকেআরজেপি) তথ্য অনুসারে, দেশে প্রায় ৯৮ হাজার পোল্ট্রি খামারি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৮ শতাংশ মহামারিকালে খামার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*