বাংলা ফটো নিউজ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মোঃ নূরুল ইসলাম ও নবনিযুক্ত ছয় হুইপ জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
রোববার (৮ মার্চ) সকালে সাভারে স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তারা বীর শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন এবং স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় চিফ হুইপের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হুইপ মোঃ জি কে গউছ, রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মোঃ আখতারুজ্জামান মিয়া এবং এ বি এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান)।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ হুইপ বলেন, আমাদের একটি প্রচলিত ধারণা আছে, সংসদকে শুধু ‘প্রাণবন্ত’ করতে হবে। কিন্তু এই ধারণা পরিবর্তন করতে হবে। এখন থেকে সংসদকে শুধু ‘প্রাণবন্ত’ নয়, ‘কার্যকর’ করতে হবে। বাংলাদেশের সব জাতীয় সমস্যার সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু হবে সংসদ। সব কাজের কেন্দ্রবিন্দু হবে সংসদ।
সংসদকে কার্যকর করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রাণবন্ততা তার সঙ্গে থাকবেই। এ লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। ইনশাআল্লাহ ১২ তারিখ থেকে সংসদ অধিবেশন শুরু হবে। এটি অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও কার্যকর সংসদ হবে বলে প্রত্যাশা করি।
এছাড়া বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, সংসদে সবচেয়ে বেশি সুযোগ সাধারণত বিরোধী দলই গ্রহণ করে থাকে। সেই সুযোগ দেওয়ার জন্য সরকার প্রস্তুত রয়েছে। জাতীয় সব বিষয়ে সংসদে বিতর্ক হোক- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
প্রথম অধিবেশন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নূরুল ইসলাম বলেন, এবারের অধিবেশন কিছুটা ব্যতিক্রমধর্মী হবে। কারণ, বর্তমান স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদত্যাগ করেছেন। ফলে নতুন করে তাদের নির্বাচন করতে হবে। প্রথম দিন সংসদ কক্ষে স্পিকারের চেয়ার খালি থাকবে। তখন সংসদ নেতা একজন জ্যেষ্ঠ সদস্যকে অস্থায়ীভাবে সভাপতিত্ব করার জন্য প্রস্তাব করবেন। তার সভাপতিত্বে সংসদের কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হবে এবং তারপর সংসদের অন্যান্য কার্যক্রম যথারীতি চলবে।
তিনি বলেন, সরকার সবাইকে নিয়ে চলতে চায়। সরকারি দল ও বিরোধী দল- সবাইকে একমঞ্চে এনে সংসদকে কার্যকর করার চেষ্টা চলছে। প্রধানমন্ত্রী যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি শুরু করেছেন, সেটি হচ্ছে সব পক্ষকে সমন্বয়ের মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া।
এরই মধ্যে বিরোধী দল থেকে একজনকে ডেপুটি স্পিকার করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সংসদকে সত্যিকার অর্থে কার্যকর করা, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা এবং দেশের মানুষের মুক্তি নিশ্চিত করাই তাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যেই যা যা প্রয়োজন, তা করার চেষ্টা করা হবে।
এসময় সাভার গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন, সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply