1. rowshonsavar@gmail.com : admin2021 :
  2. rowshonsavar@gmail.com : Rowshon Ali : Rowshon Ali
October 24, 2026, 6:39 pm
শিরোনামঃ
​ধর্ষণের অভিযোগে সাভারে মাদ্রাসায় হামলা-ভাঙচুর, পুলিশ অবরুদ্ধ আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার ছাদ থেকে লাফিয়ে কর্মকর্তার মৃত্যু: এমডি ও পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা গ্যারেজ ভাড়া কমানো ও ভাড়া পুনর্নির্ধারণের দাবিতে সাভারে অটোরিকশা চালকদের কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ সংবাদপত্রের সরকারি বিজ্ঞাপনের মূল্যহার পুনর্নির্ধারণ সাভারে গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালসে আগুন, আহত ১ সাভারে ফ্যামিলি কার্ডের জরিপ শুরু, স্বচ্ছতা ও অগ্রাধিকার পাচ্ছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ইয়ারপুর ইউপি কর্মকর্তা আফজালের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ সাভারে মাদ্রাসা ছাত্র জিসান নিখোঁজ, সন্ধানের আকুতি মায়ের সাভারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের মশারি উপহার আশুলিয়ায় ২৪ ঘণ্টায় তিন নারীসহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার, আটক ১

‘আমরা ভারতে বসে খাই, মিয়ানমারে শুয়ে ঘুমাই’

  • আপডেট টাইম : Friday, April 27, 2018
  • 370

বাংলা ফটো নিউজ : ঘরটির অবস্থান দুই দেশেই। এই ঘরের ঠিক মাঝ বরাবর গেছে দুই দেশের সীমান্তরেখা। লংওয়া গ্রামের এই ঘরটি ভারত ও মিয়ানমার—দুই দেশেই অবস্থিত। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, এই ঘরের বাসিন্দারা খাওয়াদাওয়া করেন ভারতে। আর ঘুমান মিয়ানমারে!

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ঘরটি আসলে একটি ‘রাজপ্রাসাদ’। কনিয়াক নাগা উপজাতির রাজপরিবার এখানে থাকে। লংওয়া গ্রামের প্রধান ওই প্রাসাদে থাকলেও তাঁর নাম প্রকাশ করা হয়নি।

বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গ্রামটির প্রধান বলেন, ‘আমি হচ্ছি এখানকার প্রধান। আমার প্রাসাদ দুই অংশে বিভক্ত। আমরা ভারতে খাই, মিয়ানমারে ঘুমাই।’ তিনি বলেন, ‘আমরা নিজেদের পৈতৃক নিবাসে বসবাস করছি। এখানে আমাদের কোনো সমস্যা নেই।’

ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে নাগাল্যান্ডের লংওয়া গ্রাম। কনিয়াক নাগা উপজাতির রাজপরিবার সেখানে বসবাস করে। এই রাজ্য প্রতিষ্ঠা হয় ১৫ শতকে। দুই দেশে থাকা ওই রাজপ্রাসাদটি এক শ বছরের পুরোনো। অনেক পরে ১৯৭১ সালে সীমান্ত নির্ধারিত হয়। গ্রামটির মিয়ানমার ও ভারতের নাগরিকেরা কোনো ভিসা ছাড়াই উভয় দেশের ১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকায় স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারেন। তবে সীমান্তরেখার মাধ্যমে দুই দেশের মানুষের অবস্থান পৃথক করা হয়েছে।

লংওয়া গ্রামের অধিবাসীরা জানান, তাঁরা উভয় দেশের সেরাটা উপভোগ করেন। মিয়ানমার সরকার তাঁদের জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনা পরিচালনা করে থাকে। অন্যদিকে ভারতের নাগরিক হিসেবে ভোটাধিকারও আছে তাঁদের।

দুই দেশের সেনাসদস্যরা এই গ্রামে মোতায়েন থাকেন। স্থানীয় কিছু বাসিন্দা দুই দেশের সীমান্তে এভাবে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না। লংওয়া গ্রামের নারী আখো তৈয়াঙ্গসু বিবিসিকে বলেন, ‘সিনেমায় আমি লড়াই দেখেছি। আন্তর্জাতিক সীমান্তে মানুষের জীবন কতটা দুর্বিষহ হয় সেটাও আমি দেখেছি। তাই আগামী দিনে কী ঘটবে, তা ভেবে আমি হতবিহ্বল হয়ে যাই।’

তবে আশার কথা হচ্ছে, লংওয়া গ্রাম নিয়ে উভয় দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। সুতরাং সহসাই রাজনৈতিক কারণে সেখানে অপ্রীতিকর কিছু ঘটার আশঙ্কা কম।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Bangla Photo News
Theme Customized By BreakingNews