বাংলা ফটো নিউজ : নিচের উপসর্গগুলোর কোনো একটি বা একাধিক আপনার শরীর বা মনে দেখা দেয়ার সাথে সাথে আপনাকে তৎপর হতে হবে। এগুলো স্ট্রোকের ঠিক আগের লক্ষণ। স্ট্রোক একটি জরুরি স্বাস্থ্য সমস্যা।
লক্ষণগুলো :
১। মুখ, হাত ও পা বিশেষ করে এক পাশ যদি হঠাৎ করে অবশ লাগে বা দুর্বল মনে হয়।
২। হঠাৎ মানসিক বিক্ষিপ্ততা, কথা বলতে অসুবিধা বা কোনো কথা বা কোনো বিষয় বলার সময় সমস্যা হয়।
৩। হঠাৎ করে এক বা দুই চোখেই দেখতে সমস্যা হয়।
৪। হঠাৎ করেই হাঁটতে চলতে অসুবিধা হয় বা মাথা ঘোরে, শরীরের ভারসাম্য রাখতে না পারেন।
৫। কোনো জ্ঞাত কারণ ছাড়াই প্রচণ্ড মাথা ব্যথা হলে।
অগ্রিম করণীয় :
১। এমন জরুরি ক্ষেত্রে প্রয়োজন হতে পারে এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর ঠিকানার একটি তালিকা তৈরি করে (ফোন নম্বরসহ) হাতের কাছেই রাখুন।
২। কাছাকাছি কোনো হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা স্ট্রোকের চিকিৎসা হয়, তার খোঁজ রাখুন।
৩। কোন হাসপাতাল বা প্রতিষ্ঠানটি আপনার কাছে তাও জানা থাকা ভালো।
স্ট্রোকের লক্ষণাদি দেখা দিলে করণীয় :
১। স্ট্রোকের প্রতিটি লক্ষণ একসাথে দেখা নাও দিতে পারে। তাই একটি মাত্র লক্ষণ দেখা দিলেও তাকে অবহেলা করবেন না। এমনকি কিছু সময় পর তা দূর হয়ে গেলেও না।
২। ঠিক কোন সময়টাতে স্ট্রোকের সতর্কতামূলক লক্ষণগুলো দেখা দিয়েছিল তা মনে রাখার চেষ্টা করুন। এটি খুব প্রয়োজনীয় হতে পারে।
৩। যদি আপনার কোনো এক বা একাধিক লক্ষণাদি দেখা দিয়ে কয়েক মিনিট স্থায়ী হয়, তবে আর দেরি না করে আপনাকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে যেতে হবে।
৪। যদি আপনি এমন করো কাছাকাছি থাকেন, যার স্ট্রোকের লক্ষণাদি দেখা দিয়েছে, তবে যত তাড়াতাড়ি পারেন হাসপাতালে খবর দিন বা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
ডা: রুমানা রিমি
স্বা স্থ্য ত থ্য
মরিচ খাননি অথচ ঝাল লাগছে!
মরিচ খেলে ঝাল লাগবে- এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মরিচ না খেলে ঝাল লাগবে- এটা মোটেও স্বাভাবিক নয়। যখনই বুঝবেন এরকম হচ্ছে- সাথে সাথে আপনার ডেন্টিস্টের শরণাপন্ন হন; যথাসম্ভব একজন সাইকোলজিস্টেরও। অনেককেই এ সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়। মুখের জ্বালাপোড়ার লক্ষণ ধরা যায় মাড়ি, তালু, জিহ্বা ও ঠোঁটে অত্যধিক ঝাল লাগা থেকে। গবেষকদের মতে, অনেকেই সঠিক রোগ নির্ণয় করা থেকে বঞ্চিত হন। ফলে সঠিকভাবে সমস্যার সমাধান করা যায় না। যদি আপনার এমনটি হয়, তবে রক্তাল্পতা, ভিটামিন স্বল্পতা, অ্যাসিড রিফ্লাক্স, ডায়াবেটিস এবং মুখে ইস্ট সংক্রমণ থাকতে পারে। আপনার স্ট্রেস লেভেলও জেনে নিতে পারেন। উদ্বিগ্নতাসৃষ্ট স্বভাবগুলো যেমন- দাঁতে দাঁতে ঘর্ষণ হওয়া কিংবা তালুর সাথে জিহ্বার বারবার সংঘর্ষ হওয়া- এগুলোও ঝাল বা মুখের জ্বালাপোড়ার অন্যতম কারণ।
ফেসিয়াল কি ত্বকের জন্য ভালো?
ফেসিয়ালের ব্যবহার আজকাল খুব বেড়ে গেছে। ফেসিয়াল ব্যবহার করলে ত্বকের ফোলা ভাব কিংবা চোখের নিচের ফোলা ভাব কমতে পারে। ফেসিয়াল বলতে ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম দিয়ে ত্বকে ম্যাসেজ করাকে বোঝায়। ধারণা করা হয়, যে, ফেসিয়াল ত্বকের লসিকা প্রবাহকে বাড়ায়। এই লসিকা প্রবাহ দেহের পানির ভারসাম্যকে রক্ষা করে এবং স্থানীয় (ত্বকের) বিষাক্ত পদার্থগুলোকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। ফেসিয়াল মুখমণ্ডলের মাংসপেশিকেও উত্তেজিত করে। ফলে চোখ, মুখ ও চিবুক দৃঢ়তা প্রাপ্ত হয়। প্রায় ঘণ্টাখানেক ম্যাসেজ করার পর ভালো ফল পাওয়া যাবে। গাল গোলাপি ও রাঙা হবে, পাশাপাশি মুখের ভাঁজগুলোও অস্পষ্ট হবে। সেই সাথে চোখের নিচের ফোলা ভাবও হ্রাস পাবে। তাই বলা যায়, ফেসিয়াল ত্বকের জন্য ভালো, তবে এটি খুবই অস্থায়ী। ভালো ফলের জন্য প্রতিদিন ফেসিয়াল ব্যবহার করতে হবে।
বড়দেরও কি টিকা দরকার?
আমাদের অনেকেরই ধারণা, টিকা কেবল ছোটদের জন্য। বড়দের জন্যও যে টিকার প্রয়োজন রয়েছে, সে বিষয়ে আমরা জ্ঞাত নই। টিকা বড়দের বিভিন্ন সংক্রামক রোগের হাত থেকে বাঁচায়।
উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, হেপাটাইটিস-এ, যক্ষ্মা ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধের জন্য বড়দেরও টিকার প্রয়োজন হয়; নতুবা তা কালসাপ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বড়দের প্রতি ১০ বছর অন্তর একটি টিটেনাস-ডিপথেরিয়ার টিকা দিতে হবে। পাশাপাশি যাদের কখনো জলবসন্ত হয়নি তাদেরকে জলবসন্ত টিকাও দিতে হবে। কেননা এই জলবসন্ত শেষ বয়সে ভয়ানক রূপ নিতে পারে।
অতি বেগুনি রশ্মি থেকে বাঁচার উপায়
অতিবেগুনি রশ্মি থেকে বাঁচার জন্য আজকাল প্রায়ই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে দেখা যায়। অতিবেগুনি রশ্মি শরীরে ফ্রি রেডিক্যাল তৈরি করে- যা খুবই ক্ষতিকর। তাই এ থেকে বাঁচা খুবই জরুরি। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ান বিজ্ঞানীরা আশ্চর্যজনকভাবেই আবিষ্কার করেন, সয়াবিন এর একটি ফাইটোকেমিক্যাল, আইসোফ্ল্যাভোনস থেকে তৈরি এনভি-০৭-এ অতিবেগুনি রশ্মি থেকে বাঁচায়। বিজ্ঞানীরা (প্রাণীর ওপর) প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে এনভি-০৭-এ কিভাবে কাজ করে তা দেখতে গিয়ে লক্ষ করেন, এটি অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতি থেকে দেহকে বাঁচায়। মানুষের ওপর গবেষণায়ও প্রমাণিত হয়, অতিবেগুনি রশ্মিতে থাকার পর এটি ব্যবহার করলে শরীরের ডিএনএ এবং অনাক্রম্য প্রক্রিয়াকে অক্ষুণ্ন রাখে।
Leave a Reply