জাহিদুল ইসলামের বয়স ২৭। সপ্তাহে দুই দিন তাকে ডায়ালাইসিস করতে হয়। কিডনি ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে তাঁর শরীরের রক্ত পরিশোধন করা হয় এবং এর মাধ্যমে সে বেঁচে আছে। কিন্তু এভাবে বেঁচে থাকাটা জাহিদের কাম্য নয়।
তাঁর চলাফেরা সীমিত, সে কাজ করতে পারে না, দূরে কোথাও ঘুরতে যেতে পারে না এমনকি খাওয়া-দাওয়াও খুব সীমিত। সবসময় ক্লান্ত অনুভব করেন তিনি।
” আমি এগুলো নিয়ে ভাবতে চাই না। আমি বেঁচে আছি ঠিকই, কিন্তু জীবন আমার কাছে উপভোগ্য নয়। আমার মনে হয় কেউ যদি আমার জীবন ফিরিয়ে দিত,” বলছিলেন জাহিদ।
জাহিদের দুটো কিডনি অকেজো। একটি নতুন কিডনি পাবার আশায় তিনি এখন অপেক্ষা করছেন। কিন্তু এজন্য তাকে কত দিন অপেক্ষা করতে হবে তা তিনি জানেন না।
পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে তার রক্তের গ্রুপ মিলছে না। ফলে তাদের কেউ জাহিদকে কিডনি দান করতে পারবে না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে কোন বয়সে কিডনি দান করা যায় এবং একজন সুস্থ মানুষ একটি কিডনি নিয়ে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে পারে।
জাহিদের বাবা শফিকুল ইসলাম সাভার প্রেসক্লাব বরাবর একটি আবেদন করে বলেছেন, তাঁর আর্থিক সহায়তা দরকার—এমন আবেদনপত্রের সঙ্গে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাগজ, চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ও সনদ যুক্ত করে দিয়েছেন। সঙ্গে দিয়েছেন মুঠোফোন নম্বর ০১৭৫৪২৯৫০৩৭ (বিকাশ) ও ব্যাংকের হিসাব নম্বর ৩৯১০০ (ইসলামী ব্যাংক, সাভার শাখা)।
Leave a Reply