বাংলা ফটো নিউজ : সাভারের পথে পথে দেখা মিলছে আগাম জাতের তরমুজের। ফলের পাইকারি বাজার গুলোতে গেলে মূল সিজনের মতো তরমুজের দেখা মিলবে। বরিশাল ও কুয়াকাটাসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সাভারের বাজারে এ আগাম জাতের তরমুজ আসছে।তবে দাম একটু চড়া বলে দাবী করেছেন বিভিন্ন ক্রেতা।
রোববার (২০ মার্চ) সকালে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে প্রতি কেজি তরমুজ ৫৫-৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দাম বেশি হলেও বছরের নতুন ফল হিসাবে বিক্রি ভালো হচ্ছে বলে বিক্রেতারা জানান।
গেন্ডা নতুনবাজারের পাইকারি ফল বিক্রেতা আব্দুল আজিজ মুন্সি জানান, গরমকালের তরমুজ এখনো বাজারে আসেনি। সেগুলো মিলবে আরও এক/দেড় মাস পর। এখন যেগুলো পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো আগাম জাতের তরমুজ। বাজারে আগাম তরমুজ উঠেছে মোকামের সঙ্গে সামাঞ্জস্য রেখে অল্প লাভে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে এখন যে দামে বিক্রি হচ্ছে গ্রীষ্মকালে এলে এর দাম আরও কমবে বলে দাবী করেন তারা।
বাজারে যেসব আগাম জাতের তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে তার মধ্যে উল্লেযোগ্য হলো- বিগ ফেমেলি ও রোয়েল ফেমেলি, ব্লাক সুইট, কালা, কালো ব্লাকবেবি, বাংলালিংক, গ্রামীণ, চায়না-২, এশিয়ান-২।
থানা রোডের খুচরা তরমুজ বিক্রেতা খলিল মিয়া জানান, আগাম জাতের এসব তরমুজ গুলো বরিশাল ও কুয়াটাকা থেকে আনা হয়েছে। বাজারে এগুলোর চাহিদা অনেক। প্রতি কেজি ছোট তরমুজ ৫০ টাকা এবং বড় তরমুজ ৬০ টাকায় বিক্রি করছেন।
ভ্যানে ভ্রাম্যমাণ তরমুজ বিক্রেতা হাসান আলী বলেন, প্রতি কেজি তরমুজ প্রথম দিকে ৬০ টাকা করে বিক্রি করেছি। এখন ৫০-৫৫ টাকায় বিক্রি করছি। দাম এখন একটু বেশি হলেও সিজনের তরমুজ বাজারে আসলে কমে যাবে।
আ: খালেক নামের এক ক্রেতা বলেন, বাজারে প্রথম তরমুজ উঠেছে যা দেখে ভালো লেগেছে। ভালো-মন্দ কি হবে জানি না। তবু কিনলাম। যদিও দাম একটু বেশি।
Leave a Reply