বাংলা ফটো নিউজ : ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মহাসড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা। বুধবার দুপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক এক ঘণ্টা অবরোধ করা হয়।
ওই স্কুলছাত্রীর বড় বোন বলেন, ‘তাদের বাবা নেই। তাই ছোট বোন তাঁর বাসায় থেকে পড়ালেখা করছে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে তাঁর বোন ঘরের বাইরে বের হলে এলাকার বখাটে কাইয়ুম ওরফে নাঈম তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। কিন্তু ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে সে মেয়েটির গায়ে নখ দিয়ে আঁচড়ে দেয়। এতে তার শরীরের বিভিন্ন জায়গা কেটে যায়।’ চিৎকার শুনে তিনিই বোনকে উদ্ধার করেন বলে জানান।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বুধবার দুপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক এক ঘণ্টা অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। পরে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে বিচারের আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নেয়।
অভিযুক্ত কাইয়ুম ভালুকার একটি তৈরি পোশাক কারখানায় কাজ করে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বোন আরও বলেন, তিনি সকালে বোন নিয়ে হবিরবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে যান। চেয়ারম্যান বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছেন বলেছেন। পাশাপাশি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর স্বজনদের অভিযোগ, কারখানা কর্তৃপক্ষ অভিযুক্তকে পালিয়ে যেতে সুযোগ করে দিয়েছে। এ ব্যাপারে কারখানার ব্যবস্থাপক ইউনুস আলী বলেন, ‘আমি বিষয়টি অবগত ছিলাম না। তাই ছেলেটি পালিয়ে গেছে।’
ভালুকা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত কাইয়ুমকে আটক করতে কারখানায় গেলে সে পালিয়ে যায়। তাঁকে গ্রেপ্তারে বিভিন্ন জায়গায় আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই কারখানার ফিনিশিং সেকশনের ইনচার্জ শাহিনকে আটক করা হয়েছে।’
Leave a Reply