1. rowshonsavar@gmail.com : admin2021 :
  2. rowshonsavar@gmail.com : Rowshon Ali : Rowshon Ali
April 22, 2026, 6:58 pm
শিরোনামঃ
অবশেষে অনিয়ম ঠেকাতে সাভার সাব-রেজিস্ট্রারের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ শনিবার সাভারে যেসব এলাকায় টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধে সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রাজস্ব আদায় বেড়েছে ৫০ কোটি টাকা সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন জমা দিলেন বিএনপি নেত্রী মিনি আক্তার সাভার-আশুলিয়ায় ২৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে গ্যাস সরবরাহ আশুলিয়ায় দুই যুবক গুলিবিদ্ধ, ২ লাখ টাকা ছিনতাই আশুলিয়ায় শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ ও বন্ধ কারখানা খোলার দাবি সাভারে কোরআন অবমাননার অভিযোগে মা-মেয়ে গ্রেপ্তার ডিবির জালে ধরা আন্তঃ জেলা ডাকাত ও কিশোর গ্যাংয়ের ৫ সদস্য সাভারে শিশুর চোখে সুপার গ্লু ঢেলে নির্যাতনের অভিযোগ

নগদ সহায়তার ৪০৮ কোটি টাকা ফেরত নিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

  • আপডেট টাইম : Monday, July 2, 2018
  • 370

বাংলা ফটো নিউজ ; ভুয়া রপ্তানি বিলের মাধ্যমে সরকারের কাছ থেকে ক্রিসেন্ট গ্রুপের নগদ সহায়তা বাবদ নেওয়া ৪০৮ কোটি টাকা ফিরিয়ে এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। জনতা ব্যাংকের হিসাব থেকে এসব টাকা কেটে সরকারের কোষাগারে জমা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। জনতা ব্যাংকের মাধ্যমেই ক্রিসেন্ট গ্রুপ এ নগদ সহায়তা নিয়েছিল।

রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তা নিলেও রপ্তানি আয়ের বড় অংশই দেশে আনেনি ক্রিসেন্ট গ্রুপ। চামড়া রপ্তানির নামে এ সুবিধা নেওয়া হয়েছিল। মূলত জনতা ব্যাংকের ঢাকার ইমামগঞ্জ করপোরেট শাখায় বড় ধরনের জালিয়াতির মাধ্যমে নগদ সহায়তার অর্থ হাতিয়ে নেয় ক্রিসেন্ট গ্রুপ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নগদ সহায়তা বাবদ গ্রুপটি সরকারের প্রায় হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এর মধ্যে সদ্যবিদায়ী ২০১৭-১৮ অর্থবছরে নিয়েছে ৪০৮ কোটি টাকার সুবিধা। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে ক্রিসেন্ট গ্রুপের নিজ নামে পাদুকাসহ চামড়াজাত পণ্যের বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, সরকারের কাছ থেকে নগদ সহায়তা পেতে ক্রিসেন্ট গ্রুপ কাগজ-কলমে রপ্তানি কার্যক্রম সম্পন্ন করে। আর এতে সহায়তা করে জনতা ব্যাংকের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে শাখা পর্যায়ের কর্মকর্তারাও। আর এভাবে গ্রুপটি জনতা ব্যাংক থেকে ২ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা বের করে নেয়। যার পুরোটাই এখন খেলাপি ঋণে পরিণত হয়েছে। ফলে গত মার্চে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণও বেড়ে গেছে।

জানতে চাইলে জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুছ ছালাম আজাদ বলেন, ‘আমাদের হিসাব থেকে টাকা কেটে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ নিয়ে আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। রপ্তানি আয় যাতে দ্রুত ফেরত আসে, এ জন্য গ্রাহককে চাপ দেওয়া হচ্ছে।’

জানা গেছে, ক্রিসেন্ট গ্রুপের রপ্তানি বিল (এফডিবিপি) ক্রয় করে ইমামগঞ্জ করপোরেট শাখা। তবে এসব রপ্তানির অর্থ দেশে ফেরত আসছে না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কয়েক দফায় বিল ক্রয়ে নিষেধাজ্ঞা দিলেও ব্যাংকটি তা আমলে নেয়নি। ফলে ক্রিসেন্ট গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট পাঁচ প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাংকটির পাওনা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা। বারবার নির্দেশনা দেওয়ার পরও তা আমলে না নেওয়ায় সম্প্রতি ইমামগঞ্জ করপোরেট শাখার বৈদেশিক ব্যবসার লাইসেন্স (এডি লাইসেন্স) স্থগিত করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, বৈদেশিক বাণিজ্য করতে ১৯৭২ সালে জনতা ব্যাংকের ইমামগঞ্জ করপোরেট শাখাকে এডি লাইসেন্স দেওয়া হয়, যা ব্যাংকটির প্রথম কোনো শাখার এডি লাইসেন্স। পাঁচ বছর ধরে শাখাটি নিয়ম ভেঙে ক্রিসেন্ট গ্রুপের বৈদেশিক বিল ক্রয় করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক একাধিকবার নতুন করে বিল ক্রয়ে নিষেধাজ্ঞা দিলেও শাখাটি তা মানেনি।

এরপর ব্যাংকের অনিয়মের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তে নামে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেই তদন্তে বেরিয়ে আসে, ক্রিসেন্ট গ্রুপ রপ্তানির নামে সুবিধা নিলেও রপ্তানির অর্থের বড় অংশই দেশে ফেরত আসেনি। কিছু টাকা ফেরত এলেও তা দিয়ে পুরোনো দায় সমন্বয় করা হয়নি। এরই মধ্যে সরকারের দেওয়া প্রণোদনার হিসাব থেকে নগদ সহায়তা বাবদ প্রায় হাজার কোটি টাকা বের করে নিয়েছে গ্রুপটি। এর মধ্যে ২০১৭-১৮ অর্থবছরেই বের করেছে ৪০৮ কোটি টাকা। এ কারণে জনতা ব্যাংকের হিসাব থেকে এসব টাকা কেটে সরকারের কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এসব রপ্তানি সহায়তা পেতে যে নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিবেদন দিয়েছিল, তাকেও কালো তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

জনতা ব্যাংক সূত্র জানায়, ক্রিসেন্ট গ্রুপের পাঁচ প্রতিষ্ঠানের কাছে জনতা ব্যাংকের পাওনা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা। এর প্রায় পুরোটাই খেলাপি করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ঋণের মধ্যে ক্রিসেন্ট লেদারের ৬৩৭ কোটি টাকা, রূপালী কম্পোজিটের ৬৫০ কোটি টাকা, লেক্সকো লিমিটেডের ৪১০ কোটি টাকা, ক্রিসেন্ট ট্যানারির ১৫৮ কোটি টাকা ও রিমেক্স ফুটওয়্যারের ৮৭২ কোটি টাকা।

জালিয়াতির মাধ্যমে ক্রিসেন্ট গ্রুপকে সহায়তা করার দায়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশে ১০ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছে জনতা ব্যাংক।

এর মধ্যে রয়েছে ইমামগঞ্জ শাখার (পরিদর্শন চলাকালীন) ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ইকবাল (ডিজিএম), রেজাউল করিম (মহাব্যবস্থাপক), এ কে এম আসাদুজ্জামান (ডিজিএম), শাখার সেকেন্ড অফিসার আতাউর রহমান (এজিএম), সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মগরেব আলী, সিনিয়র অফিসার মনিরুজ্জামানসহ অন্যরা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Bangla Photo News
Theme Customized By BreakingNews