বাংলা ফটো নিউজ ; মাদক নির্মূলে শিগগিরই যৌথ বাহিনীও অভিযানে নামবে। কক্সবাজারকে আলাদা জোন হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে সেখানে যৌথভাবে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে মাদকের বিষয়ে জিরো টলারেন্স দেখানোর নির্দেশনা আছে। যত দিন পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হবে তত দিন এ অভিযান চলবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা ও সেবা বিভাগের সচিব ফরিদউদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত মতবিনিময়সভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, মাদক গডফাদারদের প্রাণদণ্ডের বিধান রেখে প্রণীত আইনের খসড়া আগামী সপ্তাহে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তোলা হতে পারে।
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) আমেনা বেগম, চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা ছাড়াও জেলা প্রশাসন, বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, কারা কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের কর্মকর্তারা এ মতবিনিময়সভায় উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময়সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘১৯৯০ সালের মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনটি এখনো বলবৎ আছে। এই আইনে অনেক দুর্বল দিক রয়েছে। মাদক গডফাদাররা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে বলেও অভিযোগ আছে। দেশে বা বিদেশে বসে মাদকে অর্থলগ্নি করছে অনেকেই। এখন নতুন যে আইনের খসড়া করা হয়েছে সেখানে গডফাদারদের প্রাণদণ্ডের বিধান রাখা হবে।’
সচিব বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার সঙ্গে মিয়ানমারের সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন সচিব। এ ছাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে একটি বিকলাঙ্গ প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে কার্যকর করার উদ্যোগ নিচ্ছি। তাদের জন্য ৫০টি গাড়ি এবং চারজন ম্যাজিস্ট্রেট দেওয়া হচ্ছে। ঢাকায় দুজন ম্যাজিস্ট্রেট কাজ শুরু করেছেন। চট্টগ্রামে দুজন ম্যাজিস্ট্রেট আসবেন।’
Leave a Reply