বাংলা ফটো নিউজ : সাভারের আশুলিয়ায় চলন্ত বাস থেকে ফেলে দিয়ে এক শিক্ষার্থীকে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় চারটি বাস আটকের পরে আহত ওই শিক্ষার্থীর পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেয়ার কথা বলে বাসগুলো ছাড়িয়ে নিয়ে গেলেন কর্তৃপক্ষ।আজ মঙ্গলবার দুপুরে আশুলিয়ার নয়ারহাট এলাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চ (নিটার) থেকে বাসগুলো ছাড়িয়ে নিয়ে যান তারা।
পুলিশ জানায়, গেল শনিবার সকালে রাজধানীর আজিমপুর থেকে আশুলিয়ার নয়ারহাট এলাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চের (নিটার) শিক্ষার্থী আসমা আক্তার (২২) ক্যাম্পাসে যাওয়ার জন্য নীলাচল পরিবহনে উঠেন। পরে তার সাথে বাসের ভিতরে ভাড়ার টাকা নিয়ে ওই বাসের কনট্রাকটর সবুজ মিয়ার কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে বাসটি আশুলিয়ার নয়ারহাট এলাকায় ক্যাম্পাসের সামনে আসলে বাসটির হেলপার ওই শিক্ষার্থীকে চলন্ত বাস থেকে ফেলে দিয়ে হত্যার চেষ্টা করে দ্রুত পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা ওই শিক্ষার্থীকে দ্রুত উদ্ধার করে আশুলিয়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। এঘটনায় নিটার শিক্ষার্থীরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে চলাচলরত নীলাচল পরিবহনের চারটি বাস আটক করে বাসের চালক ও হেলপারের শাস্তির দাবি জানায়।
আজ আশুলিয়া থানার ওসি শেখ রিজাউল হক দিপুর মাধ্যমে ওই শিক্ষার্থীর পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণের কথা বলে ক্যাম্পাস থেকে আটকে রাখা বাসগুলো ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে বাসগুলো ছাড়িয়ে নিতে আসা নীলাচল পরিবহনের রোড ইনচার্জ বাবুল মোল্লা বলেন, ওই শিক্ষার্থী হেলপারের সাথে ভাড়ার টাকা নিয়ে ঝগড়া করেছে। উচিত ছিলো ওই ছাত্রীকে গাড়ির ভিতরে পিটিয়ে আহত করা। কারণ আমরা পরিবহনে যারা কাজ করি তারা সন্ত্রাসী।
এবিষয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চের (নিটার) শিক্ষার্থীরা ওই বাসের চালক ও হেলপারের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন।
Leave a Reply