বাংলা ফটো নিউজ (দেলোয়ার হোসেন মৃধা, লক্ষ্মীপুর) : ‘নবান্ন’হচ্ছে হেমন্তের প্রাণ, যদিও বাঙ্গালীর নবান্নের উৎসব শুরু হয় পহেলা অগ্রহায়ন থেকে। তবে এখন আর অগ্রহায়নের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়না। আগাম জাতের ধান কাটা মাড়াই শুরু হওয়ায় হেমন্ত ঋতু শুরুর আগে থেকে নবান্নের ঘ্রাণ মুখরিত হয়ে উঠেছে রায়পুরের বাতাস। রোগ ও পোকার আক্রমন না থাকায় এ বছর রায়পুরে আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। উৎপাদন খরচ পুষিয়ে, লাভবান হবেন বলে আশাবাদী কৃষকরা।
রায়পুর উপজেলা সহকারি কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, এই বছর রায়পুরে ৮ হাজার ৫শত ৫০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবহাওয়া আনুকুলে থাকায় বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এবং লক্ষ্যমাত্রা ছেয়ে ও বেশী ফলন আশা করছেন কৃষি বিভাগ। তবে কৃষকরা আগাম জাতের আমন ধান আবাদ করায় কার্তিক থেকে ধান কাটা মাড়াই শুরু হয়ে গেছে।রায়পুরের উওর চরবংশী দক্ষিণ চরবংশী চরইন্দুরিয়া,উওর চরআবাবিল,ঝাউডগী, দক্ষিণ চরআবাবিল ইউনিয়ন,চর মোহনা,বামনী কেরোয়া সহ উপজেলার কয়েকটি এলাকায় আগাম জাতের আমন ধান কাটা এবং মাড়াইয়ের কাজ শুরু হয়েছে।
রায়পুর উপজেলা কয়েকটি ইউনিয়ন সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ আমনের মাঠ। পোকা বা কোনো রোগের আক্রমন নেই। ভালো ফলনের স্বপ্ন দেখেছেন চাষীরা। দক্ষিণ চরআবাবিল উদমারা গ্রামের কৃষক সহিদ উল্লাহ,রফিক, সুজা মিয়া, কুদ্দুছ মাঝি ও হোসেন বলেন কয়েক বছর থেকে আমি ধান চাষ করে আসছি,এ বছরে ও ১ একর ৭ গন্ডা জমিতে আবাদ করছি। এখন ক্ষেতের অবস্থা অনেক ভালো প্রথম দিকে কিছুটা পোকামাকড় থাকলেও ফসলের কোন ক্ষতি হয়নি। উৎপাদন খরচ পুষিয়ে লাভ হবে।
Leave a Reply