1. rowshonsavar@gmail.com : admin2021 :
  2. rowshonsavar@gmail.com : Rowshon Ali : Rowshon Ali
April 21, 2026, 7:24 pm
শিরোনামঃ
অবশেষে অনিয়ম ঠেকাতে সাভার সাব-রেজিস্ট্রারের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ শনিবার সাভারে যেসব এলাকায় টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধে সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রাজস্ব আদায় বেড়েছে ৫০ কোটি টাকা সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন জমা দিলেন বিএনপি নেত্রী মিনি আক্তার সাভার-আশুলিয়ায় ২৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে গ্যাস সরবরাহ আশুলিয়ায় দুই যুবক গুলিবিদ্ধ, ২ লাখ টাকা ছিনতাই আশুলিয়ায় শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ ও বন্ধ কারখানা খোলার দাবি সাভারে কোরআন অবমাননার অভিযোগে মা-মেয়ে গ্রেপ্তার ডিবির জালে ধরা আন্তঃ জেলা ডাকাত ও কিশোর গ্যাংয়ের ৫ সদস্য সাভারে শিশুর চোখে সুপার গ্লু ঢেলে নির্যাতনের অভিযোগ

এই শীতে ঘুরে আসুন সেরা ১০টি স্থানে

  • আপডেট টাইম : Wednesday, January 8, 2020
  • 398

বাংলা ফটো নিউজ : ভ্রমণ সারা বছরের জন্যই, তবে শীতকালে ভ্রমণের চাহিদা একটু বেশি থাকে। তার অন্যতম কারণ হলো, শীতকালে আমরা কমবেশি সময় বের করি। এছাড়াও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও আবহাওয়াগত অবস্থাও অন্যতম কারণ।

বন্ধু-বান্ধব, পরিবারসহ দলবলে অনেকেই শীতে বের হয়ে পড়েন ঘুরতে। তাদের কাছে গরমের থেকে শীতকালটা ভ্রমণের জন্য প্রিয়। ভ্রমণ পিপাসীদের কাছে যেহেতু শীতকাল ঘুরাঘুরির জন্য পারফেক্ট, তাই আসুন জেনে নিই- শীতে ঘুরার জনপ্রিয় ১০টি জায়গাগুলো সম্পর্কে।

১. কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত
শীতকালেই হচ্ছে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার বেড়ানোর জন্য আদর্শ সময়। শীতের জন্য অনেকে বেছে নেন কক্সবাজার। হালকা শীতের মাঝে সমুদ্রের গর্জন নিশ্চয়ই আপনাকে শিহরিত করবে। শীতকালে সমুদ্রের পাড়ে বছরের সবচেয়ে ব্যস্ত সময় দেখা যায়। এখানে সামুদ্রিক আবহাওয়ার জন্য ঠান্ডার প্রকোপ তুলনামূলক কম থাকে। তাই দেরি না করে এই শীতে ঘুরে আসুন বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা এই সমুদ্রসৈকত এ।

এছাড়া্ও লাবনী ও সুগন্ধা সমুদ্র সৈকতের মেরিন ড্রাইভের রাস্তা ধরে টেকনাফের দিকে আগালে দেখা পাওয়া যাবে হিমছড়ি, ইনানি, শামলাপুর ও হাজামপাড়ার। সিএনজি কিংবা লোকাল গাড়ি ভাড়া করে কক্সবাজারের পাশের থানা রামুতে গেলে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সুন্দর কিছু প্যাগোডা বা মন্দির দেখতে পাওয়া যায়।

২. সেন্টমার্টিন দ্বীপ
সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, যেখানে রয়েছে সাগরের নীল জলের ও আকাশের নিলীমার এক অপরূপ হাতছানি। সেন্টমার্টিন দ্বীপ অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি। দ্বীপ সেন্টমার্টিন শীতকালে ভ্রমণের জন্য একটি আদর্শ জায়গা। স্থানীয়ভাবে নারিকেল জিঞ্জিরা নামে পরিচিত এই দ্বীপের পরিবহন ব্যবস্থা ও সমুদ্রপথ শীতকালে ভ্রমণ অনুকূলে থাকে বলে প্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ এখানে ছুটে আসে।

৩. সাজেক ভ্যালি
মেঘের রাজ্য সাজেক বর্ষায় সাজে অপার্থিব সৌন্দর্য্যে। যোগাযোগেও অভূতপূর্ব উন্নতি হওয়ায়। ভ্রমণ প্রিয়সিদের কাছে এখন প্রিয় গন্তব্যের নাম সাজেক। বর্তমানে রাঙ্গামাটির সবচেয়ে জনপ্রিয় স্থানের নাম সাজেক ভ্যালি। রাঙ্গামাটির ছাদ খ্যাত সাজেক ভ্যালি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। চারপাশে মনোরম পাহাড় সারি, সাদা তুলোর মত মেঘের ভ্যালি আপনাকে মুগ্ধ করবেই।

সাজেক এমনই আশ্চর্য্যজনক জায়গা যেখানে একই দিনে প্রকৃতির তিন রকম রূপের সান্নিধ্যে আপনি হতে পারেন চমৎকৃত। কখনো বা খুব গরম অনুভূত হবে তারপর হয়তো হটাৎ বৃষ্টিতে ভিজে যাবেন কিংবা চোখের পলকেই মেঘের ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাবে আপনার চারপাশ। প্রাকৃতিক নিসর্গ আর তুলোর মত মেঘের পাহাড় থেকে পাহাড়ে উড়াউড়ির খেলা দেখতে সাজেক আদর্শ জায়গা।

৪. কুয়াকাটা
নজরকাড়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে কুয়াকাটার রয়েছে আলাদা সুখ্যাতি। দক্ষিণাঞ্চলের ‘সাগর-কন্যা’ খ্যাত কুয়াকাটা ভ্রমণ ও অবকাশ সময় কাটানোর অন্যতম জায়গা।বেলাভূমির একই স্থানে দাঁড়িয়ে বারো ঘণ্টার ব্যবধানে সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের বিরল মনোরম দৃশ্য দেখার সমুদ্র সৈকত।

এছাড়া শুটকি পল্লী, ফাতরার বন, গঙ্গামতির জংগল ও লাল কাঁকড়ার দ্বীপ কুয়াকাটার অন্যতম আকর্ষণ। পরিচ্ছন্ন বেলাভূমি, অনিন্দ্য সুন্দর সমুদ্র সৈকত, দিগন্তজোড়া সুনীল আকাশ এবং ম্যানগ্রুভ বন কুয়াকাটাকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। প্রায় সারা বছর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য দেখা যায়। সৈকতে চাইলে মটর সাইকেল ও ঘোড়া ভাড়া করতে পারেন।

৫. শ্রীমঙ্গল
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলকে বাংলাদেশের ‘চায়ের রাজধানী’ বলা হয়ে থাকে। পাহাড়ি এই এলাকায় মাইলের পর মাইল চা বাগান। বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত মানের চায়ের একটি অংশ এই বাগানগুলো থেকেই সংগ্রহ করা হয়। শীতকালে সিলেটের পানিবেষ্টিত স্থানগুলো তেমন আকর্ষণীয় মনে না হলেও চায়ের শহর শ্রীমঙ্গল কিন্তু শীতকালে ভ্রমণের জন্য দারুণ এক জায়গা। বাইক্কা বিলের পাখির অভয়াশ্রম কিংবা লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে জীববৈচিত্র দেখতে দেখতে কখন যে ঘন্টার পর ঘন্টা কেটে যাবে বুঝতেই পারবেন না।

৬. বান্দরবান
সবুজ-শ্যামল এই জেলার প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যে এতই সমৃদ্ধ যে এক-দুই সপ্তাহ ঘুরে শেষ করা যাবে না। পাহাড়ি অঞ্চল বান্দরবানে না গিয়ে থাকলে এই শীতে এবার ঘুরে আসতে পারেন। আদিবাসী বোমাং রাজার বাড়ি থেকে শুরু করে জাদির পাহাড়ের চূড়ার স্বর্ণ মন্দির, নীলাচল, নীলগিরি, মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্সের হ্রদ, ঝুলন্ত সেতু আর ছোট চিড়িয়াখানা, চিম্বুক পাহাড়, শৈল প্রপাত, আদিবাসীদ গ্রাম, ভ্রাম্যমাণ বাজার ইত্যাদি সমস্ত কিছু বান্দরবানকে ভ্রমণের দিক থেকে যেমন সমৃদ্ধ করেছে তেমনি বাংলাদেশের সকল স্থান থেকে করেছে অনন্য।

৭. রাঙ্গামাটি
স্বর্গসুখ পেতে ঘুরে আসুন রাঙ্গামাটি। নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা। পাহাড়, নদী ও লেকবেষ্টিত দেশের বৈচিত্রময় জনপদ এটি। পাহাড়ের কোলে গড়ে উঠা নির্মল প্রকৃতি দেখলে যে কোনো পর্যটকের মনে হবে যে, প্রকৃতি যেন নিজ হাতে এটিকে গড়ে তোলেছে। কোথাও কোনো খাদ নেই। একেবারেই অপরূপ সুন্দর। স্বর্গসুখ রয়েছে এতে।

৮. সুন্দরবন
সমুদ্র, পাহাড় বা চা বাগান তো অনেক দেখা হলো। এবার ঘুরে আসতে পারেন প্রাকৃতিক রহস্যেঘেরা সুন্দরবন। উপভোগ করে আসতে পারেন বানরের চিৎকার-চেঁচামেচি, হরেক পাখির দল, ময়ূরের কেকা ধ্বনি, অপরূপ চিত্রল হরিণের দল, বন মোরগের ডাক, কুমির, হরিয়াল, গাছের সঙ্গে পেঁচিয়ে থাকা অজগর, মৌমাছির গুঞ্জন ও বিশ্বখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগারের গর্জন।

ইউনেস্কো কতৃক বিশ্ব ঐতিহ্যে জায়গা করে নেওয়া প্রায় ৬ হাজার বর্গ কিলোমিটারের এই সুবিশাল ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলটি ওয়াইল্ড লাইফ প্রেমীদের কাছে যেন এক স্বর্গের নাম।

৯. বাগেরহাট
সুন্দরবন দেখতে গেলে বাগেরহাট জেলাকে ভ্রমণ পরিকল্পনায় যুক্ত করে নেয়া যায়। বাগেরহাটে অবস্থিত প্রাচীন মসজিদের মধ্যে আছে ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ, নয় গম্বুজ মসজিদ, জিন্দাপীর মসজিদ, সিংরা মসজিদ, রণবিজয়পুর মসজিদ, চুনাখোলা মসজিদ এবং হজরত খান জাহান আলীর সমাধিসৌধ। প্রাচীন ইতিহাসের পাশাপাশি এসব মসজিদের নির্মাণশৈলী মনকে অভিভূত করে।

১০. কুতুবদিয়া দ্বীপ
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার আমাদের দেশে অবস্থিত। তবে ভ্রমণপিপাসুরা এখনও পর্যন্ত হয়তো জানা নেই কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত একটি কুতুবদিয়া উপজেলার মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্যের কথা। যেখানে গেলে প্রাচীন একটি বাতিঘরের ধ্বংসাবশেষ দেখতে পাবেন। দ্বীপের উত্তরপ্রান্তে অবস্থিত এই লাইট হাউসটি সমুদ্রপথে চলাচলকারী জাহাজের নাবিকদের পথ দেখাতে দেখাতে নিজেই কবে পরিত্যাক্ত হয়ে গেছে তা জানা যায়নি। এখনো ভাটার সময় পানি নেমে গেলে বাতিঘরের অবশিষ্ট জেগে উঠে যেন পুরনো ইতিহাসের গল্প বলে যায়।

এছাড়া্ও মনপুরা দ্বীপ, নিঝুম দ্বীপ, টাঙ্গুয়ার হাওর, হাকালুকি হাওর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা ইকো রিসোর্ট বা অতিথি পাখির আগমন ঘটে যেসব অঞ্চললে সেই সব অঞ্চলে শীতকালে যেতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Bangla Photo News
Theme Customized By BreakingNews