1. rowshonsavar@gmail.com : admin2021 :
  2. rowshonsavar@gmail.com : Rowshon Ali : Rowshon Ali
April 21, 2026, 6:51 pm
শিরোনামঃ
অবশেষে অনিয়ম ঠেকাতে সাভার সাব-রেজিস্ট্রারের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ শনিবার সাভারে যেসব এলাকায় টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধে সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রাজস্ব আদায় বেড়েছে ৫০ কোটি টাকা সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন জমা দিলেন বিএনপি নেত্রী মিনি আক্তার সাভার-আশুলিয়ায় ২৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে গ্যাস সরবরাহ আশুলিয়ায় দুই যুবক গুলিবিদ্ধ, ২ লাখ টাকা ছিনতাই আশুলিয়ায় শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ ও বন্ধ কারখানা খোলার দাবি সাভারে কোরআন অবমাননার অভিযোগে মা-মেয়ে গ্রেপ্তার ডিবির জালে ধরা আন্তঃ জেলা ডাকাত ও কিশোর গ্যাংয়ের ৫ সদস্য সাভারে শিশুর চোখে সুপার গ্লু ঢেলে নির্যাতনের অভিযোগ

জাতীয় পরিচয়পত্রে চাইলেই স্বামীর পদবি নয়

  • আপডেট টাইম : Thursday, March 22, 2018
  • 383

বাংলা ফটো নিউজ : নারীরা বিয়ের পর চাইলেই জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম সংশোধন করে স্বামীর নামের অংশ বা পদবি যুক্ত করতে পারবেন না। শিক্ষাসনদ অনুযায়ী যে নাম, সেটাই জাতীয় পরিচয়পত্রে থাকবে। বিশেষ প্রয়োজনে কেউ স্বামীর নাম যুক্ত করতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন নিতে হবে। কমিশন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত দেবে।

সোমবার নির্বাচন কমিশনের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর বিরুদ্ধে আপত্তি জানাবে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। কারণ, হিন্দুধর্মাবলম্বী নারীদের বিয়ের পর স্বামীর গোত্রের পদবি ব্যবহার করার রীতি আছে।

জানতে চাইলে ইসি সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, সনদে যে নাম ছিল, সে নামে পরিচয়পত্র করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। যাঁদের সনদ নেই, তাঁদের ক্ষেত্রে মা-বাবা যে নাম রেখেছেন, সেটি হবে। প্রয়োজনে কেউ স্বামীর নাম যুক্ত করতে চাইলে ইসিতে দরখাস্ত করতে হবে। প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ইসি সিদ্ধান্ত দেবে।

ইসির এই সিদ্ধান্তের কথা জানার পর ক্ষোভ প্রকাশ করে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত প্রথম আলোকে বলেন, ইসি এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকলে তা দুঃখজনক। হিন্দুধর্মে বিয়ের পর মেয়েরা গোত্রান্তরিত হন। বাবার গোত্র থেকে স্বামীর গোত্রে চলে যান। তখন তাঁরা স্বামীর গোত্র-পরিচয় ব্যবহার করেন। ইসি হয়তো হিন্দু আইন, রীতি-নীতি সম্পর্কে জানে না। জানলে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিত না।

ইসির জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের সূত্র জানায়, সাধারণত জাতীয় পরিচয়পত্রে নামসহ অন্যান্য সংশোধনী এই অনুবিভাগই করে থাকে। এ ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন লাগে না। বড় ধরনের ও জটিল সংশোধনীর ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধানের পরও নির্বাচন কমিশনের সভায় অনুমোদন নিতে হয়। স্বামীর পদবি যুক্ত করতে হলেও এখন সেই জটিল প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

ওই অনুবিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, হিন্দুধর্মাবলম্বী নারীরা বিয়ের পর স্বামীর পদবি ধারণ করেন বলে হিন্দু নারীদের নামের সংশোধনী চেয়ে প্রচুর আবেদন আসে। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তাঁদের বিয়ে নিবন্ধিত হয় না। যে কারণে বিয়ের পরের নাম যাচাই করতে গিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। মিতা সরকার নামে এক হিন্দু নারীর নাম পরিবর্তনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পরিচয়পত্র অনুবিভাগ সিদ্ধান্ত চেয়েছিল। তার ভিত্তিতে কমিশন এই সিদ্ধান্ত নেয়।

জানতে চাইলে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (পরিচালনা) মো. আবদুল বাতেন বলেন, ইসির সিদ্ধান্ত হচ্ছে, যাঁদের শিক্ষাসনদ আছে, তাঁদের নাম সনদ অনুযায়ী হবে। এ ক্ষেত্রে সংশোধন হবে না। আর যাঁদের শিক্ষাসনদ নেই, তাঁদের অন্যান্য দলিল এবং আবেদনের ‘মেরিট’ দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কোনো আবেদন জরুরি হলে সিদ্ধান্তের জন্য কমিশনের সভায় তুলতে হবে। তিনি বলেন, যাঁরা ধর্মান্তরিত হয়ে নাম পরিবর্তন করতে চাইবেন, তাঁদের আগে শিক্ষাসনদে নাম পরিবর্তন করতে হবে।

একজন ব্যক্তি কী নামে পরিচিত হতে চান, তা অন্য কেউ ঠিক করে দিতে পারেন না বলে মনে করেন মানবাধিকারকর্মী আইনজীবী সুলতানা কামাল।
তিনি বলেন, যিনি যেই নামে পরিচিত হতে চান, আইনানুগভাবে তাঁর জন্য সে সুযোগ থাকা উচিত।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Bangla Photo News
Theme Customized By BreakingNews