1. rowshonsavar@gmail.com : admin2021 :
  2. rowshonsavar@gmail.com : Rowshon Ali : Rowshon Ali
October 22, 2026, 4:49 am
শিরোনামঃ
​ধর্ষণের অভিযোগে সাভারে মাদ্রাসায় হামলা-ভাঙচুর, পুলিশ অবরুদ্ধ আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার ছাদ থেকে লাফিয়ে কর্মকর্তার মৃত্যু: এমডি ও পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা গ্যারেজ ভাড়া কমানো ও ভাড়া পুনর্নির্ধারণের দাবিতে সাভারে অটোরিকশা চালকদের কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ সংবাদপত্রের সরকারি বিজ্ঞাপনের মূল্যহার পুনর্নির্ধারণ সাভারে গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালসে আগুন, আহত ১ সাভারে ফ্যামিলি কার্ডের জরিপ শুরু, স্বচ্ছতা ও অগ্রাধিকার পাচ্ছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ইয়ারপুর ইউপি কর্মকর্তা আফজালের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ সাভারে মাদ্রাসা ছাত্র জিসান নিখোঁজ, সন্ধানের আকুতি মায়ের সাভারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের মশারি উপহার আশুলিয়ায় ২৪ ঘণ্টায় তিন নারীসহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার, আটক ১

পলাতক নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা

  • আপডেট টাইম : Friday, April 4, 2025
  • 1043

বাংলা ফটো নিউজ : টানা ১৭ বছর পর চরম সংকটে ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছে আওয়ামী লীগ। দেশে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী কারাগারে এবং অনেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ঈদ করতে অনেকে এলাকায় গিয়ে গ্রেফতারও হয়েছেন। এরই মধ্যে বিদেশে বসে অনেক নেতা রাজকীয় ঈদ উদযাপন করেছেন। তাদের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় তুলেছে।

বিশেষ করে যুক্তরাজ্যে এবার কফির আড্ডায় দেখা গেছে আওয়ামী লীগের পলাতক চার মন্ত্রীকে। তারা হলেন সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রহমান, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সাবেক নৌমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এবং সাবেক শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতারা।

কর্মীরা বলছেন, ঈদ তো সবার জন্যই। নেতারা যে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন না, তা নয়। তবে তাদের সঙ্গে কর্মীদের যোগাযোগ ও সুখ-দুঃখের বিনিময় হলে ভালো হয়। কর্মীরা প্রাণ পায়। কিন্তু বর্তমানে বেশিরভাগ নেতাকর্মী তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন। তারা কোনো মাধ্যমেই যোগাযোগ রাখছেন না। সহযোগিতা তো পরের ব্যাপার।

আওয়ামী লীগের লাখ লাখ নেতাকর্মী এবার ঈদের নামাজটাও পড়তে পারেননি। নতুন প্রজন্মের অনেক নেতাকর্মীর কাছে এটি একটি ভিন্ন অভিজ্ঞতা। সংগ্রাম ত্যাগ আর ক্রোধ মনে নিয়েই একটি প্রজন্ম লড়াই করছে সেই সাথে আছে পূর্ব প্রজন্মের পূর্ব পুরুষদের লড়াই সংগ্রাম। এই সময়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে বিদেশে অবস্থান করছেন অনেকেই। কিন্তু কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা হয়ে কারও কারও যদি হাস্যোজ্জ্বল গেটটুগেদারের ছবি আসে তাহলে তৃণমূল এতে ব্যথিত হয় ও প্রতিপক্ষে ভুল বার্তা পৌঁছায়।

তবে নেতাদের দাবি, বিপদে তো সবাই। যে যত বড় নেতা, বিপদ তার তত বেশি। দেশ-বিদেশে যে যেখানেই আছে, চরম বেকায়দায় আছে। তার পরও সাধ্যমতো সংযোগ রক্ষা করা প্রয়োজন। আমাদের অনেকেই সেটা করছেন না। এ কারণে কর্মীদের ক্ষোভ অমূলক নয়। তবে দলীয় সভাপতি নিজেই সবার সঙ্গে কানেক্টেড, এটাই আমাদের আশার দিক।

এ নিয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য শেখ রাসেল বলেন, ‘ঈদ প্রত্যেক মুসলমানের জন্য সবচেয়ে বড় উৎসব এবং আনন্দের দিন। হোক সেটা দেশে কিংবা বিদেশে অবস্থান করা অবস্থায়। জুলাই আগস্ট পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ নেতারা বিদেশে অবস্থান করছেন তাই বলে কি তাদের জীবনে ঈদ আসবে না বা তারা ঈদের আনন্দ করতে পারবে না বিষয়টি এমন নয়। কিন্তু তাদের উচিত শুধু ঈদের সময় কেন, সব সময় দলের কর্মী এবং দেশবাসীর খোঁজখবর নেওয়া এবং তাদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়া। কিন্তু কোনো নেতা যদি এমনটি না করেন তাহলে আমি বলবো তারা নেতা নন। তারা হলেন নেতারূপী দানব। ভবিষ্যতে দলের কর্মীরা এবং দেশবাসী এই নেতারূপী দানবদের পরিহার করে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে ফেলবে বলে আমার বিশ্বাস।’

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির আরেক সদস্য ফুয়াদ আদনান বিন জামাল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের লাখ লাখ নেতাকর্মী এবার ঈদের নামাজটাও পড়তে পারেননি। নতুন প্রজন্মের অনেক নেতাকর্মীর কাছে এটি একটি ভিন্ন অভিজ্ঞতা। সংগ্রাম ত্যাগ আর ক্রোধ মনে নিয়েই একটি প্রজন্ম লড়াই করছে সেই সাথে আছে পূর্বপ্রজন্মের পূর্বপুরুষদের লড়াই সংগ্রাম। এই সময়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে বিদেশে অবস্থান করছেন অনেকেই। কিন্তু কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা হয়ে কারও কারও যদি হাস্যোজ্জ্বল গেটটুগেদারের ছবি আসে তাহলে তৃণমূল এতে ব্যথিত হয় ও প্রতিপক্ষে ভুল বার্তা পৌঁছায়। সময়টা এখন বৈরী অতএব এসময়ে সংযমী হওয়াই শ্রেয়।’

যারা কর্মীদের খোঁজখবর নিচ্ছে না, বিদেশে বসে রাজকীয় জীবন কাটাচ্ছে। ঈদে বা এই বিপদে পাশে দাঁড়াচ্ছে না, তাদের আর এই সংগঠনে দেখতে চাই না। তারা কখনো বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখার সাথে সাথে যেন আইনের হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং দুর্নীতির জন্য মৃত্যুদণ্ড দেয় সব কর্মীর স্লোগান একটাই মৃত্যুদণ্ড। কারণ তাদের কারণে সংগঠন, দেশ এবং ৭১ আজ ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে।

যুবলীগ নেতা শামসুল কবির রাহাত বলেন, যেখানে বেশির ভাগ কর্মী দেশে থেকে ঈদের নামাজ পড়তে যেতে পারেননি। সেখানে যারা বিদেশে বসে এসব কর্মকাণ্ড করেছেন তাদের দেখে কর্মীরা ভীষণ ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Bangla Photo News
Theme Customized By BreakingNews