বাংলা ফটো নিউজ : ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা দেয়ার অভিযোগে বিক্ষোভ করেছে আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের একাংশ। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের বাইপাইল এলাকায় এই বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে আশুলিয়া প্রেসক্লাবের সামনে এসে পথসভার মাধ্যমে বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষ করেন বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।
এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে ২৫ জনের থানা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির অনুমোদন দেয় ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মনির। ওই কমিটি গঠনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেই মূলত মঙ্গলবারের বিক্ষোভ।
বিক্ষোভে পাথালিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি জিহাদ হাসান বলেন, ক্ষমতার বলে থানা কমিটির আংশিক ঘোষণা করেছে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রলীগ। এই কমিটিতে ত্যাগী ছাত্রনেতাদের বঞ্চিত করে ছাত্রদল ও বিবাহিত ছাত্রনেতাদের স্থান করে দেয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, কমিটিতে সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন ইয়াছির আরাফাত পাপ্পু ও সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন তানভির হোসেন। মোট ২৫ জন সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। ইয়াছির আরাফাতের এক ভাই কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা ও আরেক ভাই ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রলীগ নেতা। তাকে বিগত ১২ বছরে রাজনীতির মাঠে দেখিনি। অর্থের বিনিময়ে কমিটি-বাণিজ্য করেছে মেয়াদোত্তীর্ণ ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মনির।
একইসাথে তারা ইউনিয়ন কমিটিতে পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন জিহাদ হাসান। তিনি এটাকে সংবিধান পরিপন্থী আখ্যায়িত করেছেন।
কমিটিতে ছাত্রদল নেতা কারা-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মনোয়ার হোসেন টিটু, শামীম হোসেন জয়সহ বিএনপির একনিষ্ঠ আরো কিছু কর্মী এই কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। এছাড়া নাজমুল ইসলাম সুমন বিবাহিত ছাত্রলীগ নেতা। তারা কিভাবে এই কমিটিতে স্থান পান? অথচ ত্যাগী ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পদ বঞ্চিত হয়েছেন।
নতুন পদ পাওয়া ছাত্রলীগ নেতা মনোয়ার হোসেন টিটু, শামীম হোসেন জয় ও নাজমুল ইসলাম সুমনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাদের কাউকেই পাওয়া যায়নি।
বিক্ষোভে আশুলিয়া ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিয়ন কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply